মূল আসামিকে বাদ দেয়ায় ক্ষুব্ধ আবরারের বাবা

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৩৫:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার অন্যতম অভিযুক্ত অমিত সাহা।

শেরেবাংলা হলের অমিত সাহার ২০১১ নম্বর রুমেই ৬ ঘণ্টার অমানুষিক নির্যাতনে মারা যান আবরার। অথচ এজাহারে নাম নেই অমিত সাহার।

চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকতুল্লাহর দায়ের করা মামলায় রহস্যজনকভাবে ১৯ জনের তালিকায় বাদ পড়ে অমিত সাহা।

অমিত সাহা ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার আইনবিষয়ক উপ-সম্পাদক। মূল আসামিকে বাদ দেয়ায় ক্ষুব্ধ মামলার বাদী ও আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ ও পরিবারের সদস্যরা।

বকতুল্লাহ বলেন, সিসি ফুটেজে যাদের দেখা গেছে মামলায় তাদের অনেকেই বাদ দেয়া হয়েছে। যার নেতৃত্বে টর্চার করা হয়েছে তাকেই মামলায় আসামি করা হয়নি। তিনি অমিত সাহার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানান।

আবরারের বাবা বকতুল্লাহ বলেন, সিসি ফুটেজে যাদের দেখা গেছে মামলায় তাদের অনেকেই বাদ দেয়া হয়েছে। যার নেতৃত্বে টর্চার করা হয়েছে তাকেই মামলায় আসামি করা হয়নি। তিনি অমিত সাহার নাম মামলায় অন্তর্ভূক্ত করার জোর দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জেরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনাপ্রবাহ : বুয়েট ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত