কুলাউড়ায় পাহারাদারকে হত্যার পর মাটিতে পুঁতে রাখল খাসিয়ারা
jugantor
কুলাউড়ায় পাহারাদারকে হত্যার পর মাটিতে পুঁতে রাখল খাসিয়ারা

  কুলাউড়া প্রতিনিধি  

১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১৮:০৩:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় গভীর জঙ্গল থেকে নিখোঁজের ৪ দিন পর ইছমত আলী (৩০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের পুটিছড়া পানপুঞ্জি এলাকার ওই জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইছমত আলী পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মৃত ইছহাক আলীর ছেলে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৬ জন খাসিয়াকে আটক করেছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এমএ রহমান আতিক জানান, ইছমত পুটিছড়া পানপুঞ্জির পার্শ্ববর্তী বিরোধপূর্ণ লম্বাছড়া পানপুঞ্জিতে পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন। গত শুক্রবার থেকে ইছমতের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। গত সোমবার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পানপুঞ্জির ফেরদৌস আহমদের স্ত্রী রোকেয়া বেগম কুলাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

পুলিশ জানায়, বিভিন্ন তথ্যসূত্রে তল্লাশির একপর্যায়ে পুটিছড়া পানপুঞ্জির বড় ভোগাছড়ায় ইছমতের লাশ মাটিতে পুঁতে রাখার খবর পায় পুলিশ। বুধবার সকালে বড় ভোগাছড়া থেকে প্রায় ৩ ফুট মাটির নিচ থেকে ইছমতের লাশ উদ্ধার করে কুলাউড়া থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

কুলাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চয়নুলা (৪০), আশা হকিডক (২২), রিয়া রিচিল (২২), জুনেল (২৫), সাজিদ (১৮) ও রোকেয়া বেগম (৩০)কে আটক করা হয়। আটককৃতরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার মর্গে এবং আটক আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। কুলাউড়া থানার এসআই রহিম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

কুলাউড়ায় পাহারাদারকে হত্যার পর মাটিতে পুঁতে রাখল খাসিয়ারা

 কুলাউড়া প্রতিনিধি 
১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় গভীর জঙ্গল থেকে নিখোঁজের ৪ দিন পর ইছমত আলী (৩০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের পুটিছড়া পানপুঞ্জি এলাকার ওই জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত ইছমত আলী পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মৃত ইছহাক আলীর ছেলে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৬ জন খাসিয়াকে আটক করেছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এমএ রহমান আতিক জানান, ইছমত পুটিছড়া পানপুঞ্জির পার্শ্ববর্তী বিরোধপূর্ণ লম্বাছড়া পানপুঞ্জিতে পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন। গত শুক্রবার থেকে ইছমতের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। গত সোমবার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পানপুঞ্জির ফেরদৌস আহমদের স্ত্রী রোকেয়া বেগম কুলাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। 

পুলিশ জানায়, বিভিন্ন তথ্যসূত্রে তল্লাশির একপর্যায়ে পুটিছড়া পানপুঞ্জির বড় ভোগাছড়ায় ইছমতের লাশ মাটিতে পুঁতে রাখার খবর পায় পুলিশ। বুধবার সকালে বড় ভোগাছড়া থেকে প্রায় ৩ ফুট মাটির নিচ থেকে ইছমতের লাশ উদ্ধার করে কুলাউড়া থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

কুলাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চয়নুলা (৪০), আশা হকিডক (২২), রিয়া রিচিল (২২), জুনেল (২৫), সাজিদ (১৮) ও রোকেয়া বেগম (৩০)কে আটক করা হয়। আটককৃতরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার মর্গে এবং আটক আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। কুলাউড়া থানার এসআই রহিম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন