মহাবিপদ সংকেত উপেক্ষা করে মেঘনায় মাছ শিকারে জেলেরা

  যুগান্তর রিপোর্ট, ভোলা ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

নদীতে জেলেরা
নদীতে জেলেরা। ছবি: যুগান্তর

ভোলার উপকূলের জেলেরা ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর মহাবিপদ ১০ নম্বর সংকেত উপেক্ষা করে মেঘনায় মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে ভোলার মেঘনা নদীর তুলাতুলি, ভোলার খাল, মনপুরা উপজেলাসহ বেশকিছু ঘাট থেকে নদীতে মাছ শিকারে যেতে দেখা গেছে জেলেদের।

শনিবার দুপুরে ভোলা মেঘনার তুলাতুলি পাড়ে গিয়ে দেখা যায় জেলেরা ছোট ছোট নৌকা ও ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত। তাদের মাঝে ঘূর্ণিঝড়ের কোনো শংকা দেখা যায়নি।

তবে জেলেরা বলছেন, আকাশ মেঘলা থাকলে নদীতে মাছ বেশি পাওয়া যায় সে জন্য তারা মাছ শিকারে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি বেশি খারাপ হলে তারা তীরে চলে আসবেন।

এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির পাশাপাশি মেঘনা নদীও উত্তাল হতে শুরু করছে। ক্রমেই বাড়ছে নদীর গর্জন। এতেও জেলেরা কোনোরকম শংকা ছাড়াই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরছেন।

তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার থেকেই ভোলার সব মাছ ধরার ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে।

অপরদিকে ভোর থেকে মনপুরার মেঘনা পাড়ের বিভিন্ন ঘাটে খবর নিয়ে জানা গেছে, মেঘনায় হাজার হাজার জেলে নৌকা মাছ শিকারে ব্যস্ত। মৎস্য ঘাটের আড়তগুলো রয়েছে খোলা।

এদিকে মনপুরার বিচ্ছিন্ন চরনিজাম ও কলাতলীর চরে অবস্থানরত ২০ হাজার মানুষ এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে এসে পৌঁছেনি। সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিসহ ধমকা হাওয়া বইছে।

চরনিজামের ইউপি সদস্য নূরনবী মুঠোফোনে জানান, রাতে রেডক্রিসেন্ট সদস্যসহ মসজিদে মসজিদে মাইকিং করা হয়েছে। তারপরও মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আসছে না। একই অবস্থা বিছিন্ন কলাতলীরচরে।

এ ছাড়াও শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ইউপি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার চৌধুরী দীপকের উদ্যোগে মনপুরা থেকে বিচ্ছিন্ন পশ্চিম পাশে শামসুদ্দিন চরে অবস্থানরত ১৮ পরিবারকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসার জন্য ৩টি ট্রলার পাঠানো হয়েছে।

ভোলার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম জানান, আমি সকাল থেকেই নদীর পাড়ে পাড়ে গিয়ে জেলেদের নদীতে যেতে নিষেধ করেছি। তবে এরপরও কিছু জেলে নিষেধাজ্ঞা না মেনে নদীতে মাছ শিকারে গিয়েছে। আমরা কোস্টগার্ডের সঙ্গে কথা বলে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনার ব্যবস্থা করব।

ঘটনাপ্রবাহ : ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

আরও
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×