বিয়ে হলো বন্ধ, বর-কনের বাবা গেলেন জেলে!
jugantor
বিয়ে হলো বন্ধ, বর-কনের বাবা গেলেন জেলে!

  সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি  

১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:৪৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ে হলো বন্ধ, বর-কনের বাবা গেলেন জেলে!
ফাইল ছবি

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়েছে। এ সময় বর ও কনের বাবাকে ১৪ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জামাল আহমেদ। 

জানা গেছে, সোমবার রাতে উপজেলার কাশীনাথপুর ইউনিয়নের ইদ্রাকপুর গ্রামের আবুবকর শেখের মেয়ে নাইমার (১৪) সঙ্গে তারাপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মোহনের (২০) বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। কনে নাইমা ইদ্রাকপুর মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসন থানা পুলিশসহ বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়ের আসর থেকে লোকজন দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় বর মোহন ও কনের বাবা আবুবকর শেখকে আটক করা হয়। 
বাল্যবিয়ের দায়ে প্রত্যেককে ১৪ দিন করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে না দেয়ার মুসলেকায় স্বাক্ষর করেন কনের বাবা।

বিয়ে হলো বন্ধ, বর-কনের বাবা গেলেন জেলে!

 সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি 
১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০১:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিয়ে হলো বন্ধ, বর-কনের বাবা গেলেন জেলে!
ফাইল ছবি

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়েছে। এ সময় বর ও কনের বাবাকে ১৪ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জামাল আহমেদ।

জানা গেছে, সোমবার রাতে উপজেলার কাশীনাথপুর ইউনিয়নের ইদ্রাকপুর গ্রামের আবুবকর শেখের মেয়ে নাইমার (১৪) সঙ্গে তারাপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মোহনের (২০) বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। কনে নাইমা ইদ্রাকপুর মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসন থানা পুলিশসহ বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়ের আসর থেকে লোকজন দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় বর মোহন ও কনের বাবা আবুবকর শেখকে আটক করা হয়।
বাল্যবিয়ের দায়ে প্রত্যেককে ১৪ দিন করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে না দেয়ার মুসলেকায় স্বাক্ষর করেন কনের বাবা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন