কালিয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা, পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
কালিয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা, পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

  নড়াইল প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৫৪:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নড়াইলের কালিয়ায় প্রেমে প্রতারিত হয়ে হিরা খানম (১৭) নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

এ ঘটনায় রোববার রাতে মেয়ের প্রেমিক পুলিশ কনস্টেবল মো. তুরান আলীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে উপজেলার নড়াগাতি থানায় মামলা দায়ের করেন হিরার পিতা।

হিরা কলাবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। প্রেমে প্রতারিত হয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে হিরা শুক্রবার রাতে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর আগে ওই ছাত্রীর লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।

জানা যায়, কলাবাড়িয়া গ্রামের মো. ফরিদ শেখের মেয়ে হিরা খানমের সঙ্গে পাশের গ্রাম আইজপাড়ার মৃত রায়জল হক শেখের ছেলে মো. তুরান আলীর (২০) দীর্ঘ ২ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক বছর আগে তুরান পুলিশের চাকরি পায়। চাকরির পর হিরার পরিবার তুরানের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হয়। তখন তুরান হিরার সঙ্গে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করতে থাকে।

একপর্যায়ে তুরানও বিয়ে করে ফেলে। তার বিয়ে করার খবরও সর্বমহলে জানাজানি হয়ে যায়। এ খবরের পর ওই ছাত্রী তার প্রেমিক তুরানের মা হোসনেয়ারা বেগমের নিকট প্রতিকার চায়। কিন্তু তার মা ছেলের প্রতারণার বিষয়টি আমলে না নিয়ে হিরাকে গালি-গালাজসহ নানাবিধ ভৎসনা করেন।

এরই জেরে হিরা বাড়ি এসে নিজ ঘরে শুক্রবার রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর আগে সে একটি চিরকুটে লিখে যায় ‘তার মৃত্যুর জন্য তার প্রেমিক তুরান শেখ দায়ী করে। তাকে যেন ক্ষমা না করা হয়।’

এ প্রসঙ্গে নিহত হিরা খানমের চাচা মো. আবুল হাসান বলেন, ‘হিরার সঙ্গে তুরানের প্রেমের সম্পর্ক আমরা মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু তুরান কিছুদিন আগে তাদের পরিবারের কাউকে কিছু না বলে গোপনে বিয়ে করে। এ অপমান সইতে না পেরে হিরা আত্মহত্যা করেছে।’

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো.কামরুজ্জামান বলেন, ‘হিরার আত্মহত্যার ঘটনায় তার পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

কালিয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা, পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

 নড়াইল প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নড়াইলের কালিয়ায় প্রেমে প্রতারিত হয়ে হিরা খানম (১৭) নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

এ ঘটনায় রোববার রাতে মেয়ের প্রেমিক পুলিশ কনস্টেবল মো. তুরান আলীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে উপজেলার নড়াগাতি থানায় মামলা দায়ের করেন হিরার পিতা।

হিরা কলাবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। প্রেমে প্রতারিত হয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে হিরা শুক্রবার রাতে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর আগে ওই ছাত্রীর লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।

জানা যায়, কলাবাড়িয়া গ্রামের মো. ফরিদ শেখের মেয়ে হিরা খানমের সঙ্গে পাশের গ্রাম আইজপাড়ার মৃত রায়জল হক শেখের ছেলে মো. তুরান আলীর (২০) দীর্ঘ ২ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক বছর আগে তুরান পুলিশের চাকরি পায়। চাকরির পর হিরার পরিবার তুরানের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হয়। তখন তুরান হিরার সঙ্গে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করতে থাকে।

একপর্যায়ে তুরানও বিয়ে করে ফেলে। তার বিয়ে করার খবরও সর্বমহলে জানাজানি হয়ে যায়। এ খবরের পর ওই ছাত্রী তার প্রেমিক তুরানের মা হোসনেয়ারা বেগমের নিকট প্রতিকার চায়। কিন্তু তার মা ছেলের প্রতারণার বিষয়টি আমলে না নিয়ে হিরাকে গালি-গালাজসহ নানাবিধ ভৎসনা করেন।

এরই জেরে হিরা বাড়ি এসে নিজ ঘরে শুক্রবার রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর আগে সে একটি চিরকুটে লিখে যায় ‘তার মৃত্যুর জন্য তার প্রেমিক তুরান শেখ দায়ী করে। তাকে যেন ক্ষমা না করা হয়।’

এ প্রসঙ্গে নিহত হিরা খানমের চাচা মো. আবুল হাসান বলেন, ‘হিরার সঙ্গে তুরানের প্রেমের সম্পর্ক আমরা মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু তুরান কিছুদিন আগে তাদের পরিবারের কাউকে কিছু না বলে গোপনে বিয়ে করে। এ অপমান সইতে না পেরে হিরা আত্মহত্যা করেছে।’

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো.কামরুজ্জামান বলেন, ‘হিরার আত্মহত্যার ঘটনায় তার পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন