চলনবিলে বাউৎ উৎসবে শৌখিন মৎস্য শিকারি
jugantor
চলনবিলে বাউৎ উৎসবে শৌখিন মৎস্য শিকারি

  পাবনা প্রতিনিধি  

০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৪৬:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

চলনবিলের বিভিন্ন বিলে বাউৎ উৎসবে মেতে উঠেছেন শৌখিন মৎস্য শিকারিরা

গ্রাম বাংলার বিলাঞ্চলের চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী বাউৎ উৎসব শুরু হয়েছে পাবনার চলনবিলে। চলনবিলের বিভিন্ন বিলে বাউৎ উৎসবে মেতে উঠেছেন শৌখিন মৎস্য শিকারিরা।

পাবনার ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর উপজেলার বিশাল অংশজুড়ে অবস্থিত চলনবিলের বিল রহুল। তাই প্রতি বছর এই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শৌখিন মৎস্য শিকারিরা যোগাযোগ করে মিলিত হয়ে বাউৎ উৎসবে মেতে উঠেন।

মঙ্গলবার বিল রুহুলে এই উৎসবে শত শত মৎস্য শিকারি মিলিত হয়ে মৎস্য শিকার করেন। প্রতি বছরের এই দিনে পাবনাসহ আশপাশের জেলা থেকে আগত মৎস্য শিকারির হাতে প্রচুর পরিমাণে দেশীয় মিঠা পানির মাছ ধরা পড়ে।

তারা কাকডাকা ভোরে সব কাজ কর্ম ফেলে পলো, বাদাইজাল, ঘেরজাল ঠেলাজালসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে মাছ শিকার করতে আসেন।

স্থানীয় ভাষায় একে বলা হয় বাউৎ উৎসব। এ যেন শৌখিন মৎস্য শিকারিদের মিলন মেলা।

শৌখিন মৎস্য শিকারি ময়েজ উদ্দীন জানান, পলো দিয়ে মাছ ধরা তার দীর্ঘদিনের শখ। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রতি বছরের এইদিনে বিল রুহুলে চলে আসেন। তবে আগেকার তুলনায় দেশীয় প্রজাতির মাছ কমে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাটোর জেলা থেকে আগত মৎস্য শিকারি আবু বক্কার বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাউৎদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই প্রতি বছর এই দিনে বিল রহুলে মাছ শিকার করতে আসি। মাছ পাই আর না পাই এটি তার অন্যতম শখ।

বড়াইগ্রামের আফসার আলী মাছ না পেয়ে হতাশার সুরে বলেন, এখানকার লোকজন আগের রাতে জাল দিয়ে মাছ মেরে নিয়েছে। তাই এখন আর তেমন মাছ নেই এই বিলে।

এ বিষয়ে ইউএনও সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, বিল রহুলে প্রতি বছর বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শৌখিন মৎস্য শিকারিদের মাছ ধরা একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে।

চলনবিলে বাউৎ উৎসবে শৌখিন মৎস্য শিকারি

 পাবনা প্রতিনিধি 
০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চলনবিলের বিভিন্ন বিলে বাউৎ উৎসবে মেতে উঠেছেন শৌখিন মৎস্য শিকারিরা
চলনবিলের বিভিন্ন বিলে বাউৎ উৎসবে মেতে উঠেছেন শৌখিন মৎস্য শিকারিরা

গ্রাম বাংলার বিলাঞ্চলের চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী বাউৎ উৎসব শুরু হয়েছে পাবনার চলনবিলে। চলনবিলের বিভিন্ন বিলে বাউৎ উৎসবে মেতে উঠেছেন শৌখিন মৎস্য শিকারিরা।

পাবনার ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর উপজেলার বিশাল অংশজুড়ে অবস্থিত চলনবিলের বিল রহুল। তাই প্রতি বছর এই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শৌখিন মৎস্য শিকারিরা যোগাযোগ করে মিলিত হয়ে বাউৎ উৎসবে মেতে উঠেন।

মঙ্গলবার বিল রুহুলে এই উৎসবে শত শত মৎস্য শিকারি মিলিত হয়ে মৎস্য শিকার করেন। প্রতি বছরের এই দিনে পাবনাসহ আশপাশের জেলা থেকে আগত মৎস্য শিকারির হাতে প্রচুর পরিমাণে দেশীয় মিঠা পানির মাছ ধরা পড়ে।

তারা কাকডাকা ভোরে সব কাজ কর্ম ফেলে পলো, বাদাইজাল, ঘেরজাল ঠেলাজালসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে মাছ শিকার করতে আসেন।

স্থানীয় ভাষায় একে বলা হয় বাউৎ উৎসব। এ যেন শৌখিন মৎস্য শিকারিদের মিলন মেলা।

শৌখিন মৎস্য শিকারি ময়েজ উদ্দীন জানান, পলো দিয়ে মাছ ধরা তার দীর্ঘদিনের শখ। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রতি বছরের এইদিনে বিল রুহুলে চলে আসেন। তবে আগেকার তুলনায় দেশীয় প্রজাতির মাছ কমে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাটোর জেলা থেকে আগত মৎস্য শিকারি আবু বক্কার বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাউৎদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই প্রতি বছর এই দিনে বিল রহুলে মাছ শিকার করতে আসি। মাছ পাই আর না পাই এটি তার অন্যতম শখ।

বড়াইগ্রামের আফসার আলী মাছ না পেয়ে হতাশার সুরে বলেন, এখানকার লোকজন আগের রাতে জাল দিয়ে মাছ মেরে নিয়েছে। তাই এখন আর তেমন মাছ নেই এই বিলে।

এ বিষয়ে ইউএনও সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, বিল রহুলে প্রতি বছর বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শৌখিন মৎস্য শিকারিদের মাছ ধরা একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন