ভোলায় বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরণ, আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু
jugantor
ভোলায় বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরণ, আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

  লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি  

০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০:৫৮:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি
আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি। ছবি: যুগান্তর

ভোলার লালমোহনে বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরণ ঘটে অগ্নিকাণ্ডে লামিম নামে ১৪ মাসের ঘুমন্ত ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত লামিম লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের চরকচুয়াখালী এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নূর জাহান বেগম বলেন, ঘটনার দিন এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করতে পাশের বাড়িতে যাই। ফেরার পথে বাড়ির কাছে আসামাত্রই শুনতে পাই বিদ্যুতের মিটারটি বিস্ফোরণের শব্দ। মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরটিতে।

এমন অবস্থা দেখে আমি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ততক্ষণে ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা আমার ১৪ মাসের ছেলে লামিম অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়। আমরা এখন নিঃস্ব।

রফিকুল ইসলাম জানান, দিনমজুর হিসেবে মানুষের কাজ করি। তাতে মোটামুটি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভালোই চলছিল সংসার। তবে মঙ্গলবারের অগ্নিকাণ্ডে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমার ১৪ মাসের ঘুমন্ত শিশুটিও মারা যায়। আর জমানো কিছু টাকা ছিল তাও পুড়ে গেছে আগুনে। এমনকি জামা-কাপড়গুলোও পুড়ে গেছে। বর্তমানে অনেক কষ্ট করে আমাদের দিন পার করতে হচ্ছে।

ভোলায় বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরণ, আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

 লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি 
০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি
আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি। ছবি: যুগান্তর

ভোলার লালমোহনে বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরণ ঘটে অগ্নিকাণ্ডে লামিম নামে ১৪ মাসের ঘুমন্ত ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত লামিম লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের চরকচুয়াখালী এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নূর জাহান বেগম বলেন, ঘটনার দিন এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করতে পাশের বাড়িতে যাই। ফেরার পথে বাড়ির কাছে আসামাত্রই শুনতে পাই বিদ্যুতের মিটারটি বিস্ফোরণের শব্দ। মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরটিতে।

এমন অবস্থা দেখে আমি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ততক্ষণে ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা আমার ১৪ মাসের ছেলে লামিম অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়। আমরা এখন নিঃস্ব।

রফিকুল ইসলাম জানান, দিনমজুর হিসেবে মানুষের কাজ করি। তাতে মোটামুটি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভালোই চলছিল সংসার। তবে মঙ্গলবারের অগ্নিকাণ্ডে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমার ১৪ মাসের ঘুমন্ত শিশুটিও মারা যায়। আর জমানো কিছু টাকা ছিল তাও পুড়ে গেছে আগুনে। এমনকি জামা-কাপড়গুলোও পুড়ে গেছে। বর্তমানে অনেক কষ্ট করে আমাদের দিন পার করতে হচ্ছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন