হত্যার পর রিনাকে ব্রিজ থেকে ফেলে দেয়া হয়

  ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:১৩:৩৪ | অনলাইন সংস্করণ

গার্মেন্ট কর্মী রিনা হত্যার মূল আসামিসহ দুজনকে গ্রেফতার ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

ময়মনসিংহ মহাসড়কের চেলেরঘাট এলাকায় খিরু নদীর ব্রিজের পাশে রিনাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয় ওই দুইজন।

বুধবার রাতভর অভিযান চালিয়ে ঢাকা মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত রুবেল ও তার সহযোগী প্রাইভেট কার চালক ইমারতকে গ্রেফতার করে পিবিআই। জব্দ করা হয় তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি।

বৃহস্পতিবার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বেরিয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য।

২৩ অক্টোবর ময়মনসিংহের ত্রিশালের চেলেরঘাট খিরু নদীর ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার করে ত্রিশাল থানা পুলিশ। ওই ঘটনায় মামলা হয় ত্রিশাল থানায়। পরে ২৫ নভেম্বর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পড়ে পিবিআইয়ের হাতে। ডিসিস্ট ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে অজ্ঞাত নারীর লাশের পরিচয় মিলে পিবিআইয়ের কাছে।

তারা জানতে পারেন মাগুরা জেলার সদর উপজেলার খানপুর গ্রামের মুরাদ মোল্লার মেয়ে রিনা খাতুন ঢাকার একটি গার্মেন্টে শ্রমিকের কাজ করতেন।

রুবেল কিশোরগঞ্জ তাড়াইলের শিকান্দরনগর গ্রামের ও ইমারত মোল্লা ফরিদপুর বোয়ালমারী দীতপুর গ্রামের অধিবাসী।

এএসপি আবু বকর সিদ্দিক জানান, জবানবন্দিতে আসামিরা আদালতে বলেছে, পরকীয়া সম্পর্কের সূত্রে রিনাকে রুবেল তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ তাড়াইলের শিকান্দরনগর নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ময়মনসিংহ মহাসড়কের চেলেরঘাট এলাকায় খিরু নদীর ব্রিজের পাশে নিয়ে আসে। সেখানেই শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশটি ব্রিজের নিচে ফেলে দেয়।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত