মাত্র তিন লাখ টাকায় বেঁচে যাবে শিশু সানাউল!
jugantor
মাত্র তিন লাখ টাকায় বেঁচে যাবে শিশু সানাউল!

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:০৯:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যথায় ছটফট করছে শিশু সানাউল

ধুকে ধুকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে কোমরে বিশাল আকৃতির টিউমার নিয়ে দুই মাসের শিশু সানাউল। শিশুটির ব্যথায় ছটফট করছে।

শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু টাকার অভাবে দরিদ্র বাবা রিয়াজ শরীফের পক্ষে চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশের দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন বাবা রিয়াজ শরীফ ও মা শাহনাজ আক্তার।

জানা গেছে, বরগুনার তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের মনশাতলী গ্রামে রিয়াজ শরীফ ও শাহানাজ আক্তার দম্পতির গত ২ অক্টোবর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোলজুড়ে আসে এক ফুটফুটে শিশু সন্তান। নাম রাখা হয় সানাউল শরীফ।

শিশু সানাউল জন্ম নেয়ার পরেই ওই দম্পতির আনন্দের পরিবর্তে নেমে আসে অন্ধকার। জন্মগতভাবেই শিশুটির কোমরে একটি টিউমার দেখা যায়। প্রথমে কেউ কিছু বুঝে উঠতে পারেনি।

ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা টিউমার দেখে শিশুটির চিকিৎসায় অপারগতা প্রকাশ করে। তারা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ৮ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা টিউমারটি অপারেশনের পরামর্শ দেয়। অনেক টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানান ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা। টাকার অভাবে চিকিৎসা না করিয়ে দুইদিন পরে ওই হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে আসেন। গত দুই মাসে টিউমারটি বড় হয়ে তিন কেজি ওজনের আকার ধারণ করেছে।

টিউমারের উপরে দগদগে লালচে আকার ধারণ করেছে। যন্ত্রণায় শিশুটি ছটফট করছে। ধুকে ধুকে শিশুটি মৃত্যুর প্রহর গুনছে।

শিশুটির বাবা রিয়াজ শরীফ দিনমজুর। মা শাহানাজ আক্তার অন্যের বাড়িকে ঝিয়ের কাজ করে। সহায় সম্ভব বলতে ওই দম্পতির বসত ভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই। শিশুটিকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন শিশুটির চিকিৎসা করাতে প্রায় তিন লাখ টাকার দরকার। কিন্তু দরিদ্র বাবার পক্ষে এত টাকা খরচ করে শিশুটির চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। চিকিৎসার টাকার জন্য ওই দম্পতি বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

শিশু সানাউলের মা শাহনাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার একটায় ছেলে। সে টিউমার নিয়ে জন্ম নিয়েছে। আমাদের কোনো টাকা নাই। কী দিয়ে ছেলের চিকিৎসা করাবো? আপনারা আমার ছেলেটাকে বাঁচান।

শিশু সানাউলের বাবা রিয়াজ শরীফ বলেন, শিশুটি জন্মগতভাবেই টিউমারটি হয়। টিউমারটি দিন দিন বড় হচ্ছে। টাকার অভাবে ঢাকায় চিকিৎসা করাতে নিয়েও ফিরে এসেছি। চিকিৎসকরা বলেছে প্রায় তিন লাখ টাকার প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশের দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতার কামনা করছি। সহযোগিতা পাঠানোর বিকাশ নম্বর ০১৭৭৫৩৬১৯৩৩।

মাত্র তিন লাখ টাকায় বেঁচে যাবে শিশু সানাউল!

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ব্যথায় ছটফট করছে শিশু সানাউল
ব্যথায় ছটফট করছে শিশু সানাউল

ধুকে ধুকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে কোমরে বিশাল আকৃতির টিউমার নিয়ে দুই মাসের শিশু সানাউল। শিশুটির ব্যথায় ছটফট করছে।

শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু টাকার অভাবে দরিদ্র বাবা রিয়াজ শরীফের পক্ষে চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশের দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন বাবা রিয়াজ শরীফ ও মা শাহনাজ আক্তার।

জানা গেছে, বরগুনার তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের মনশাতলী গ্রামে রিয়াজ শরীফ ও শাহানাজ আক্তার দম্পতির গত ২ অক্টোবর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোলজুড়ে আসে এক ফুটফুটে শিশু সন্তান। নাম রাখা হয় সানাউল শরীফ।

শিশু সানাউল জন্ম নেয়ার পরেই ওই দম্পতির আনন্দের পরিবর্তে নেমে আসে অন্ধকার। জন্মগতভাবেই শিশুটির কোমরে একটি টিউমার দেখা যায়। প্রথমে কেউ কিছু বুঝে উঠতে পারেনি।

ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা টিউমার দেখে শিশুটির চিকিৎসায় অপারগতা প্রকাশ করে। তারা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ৮ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা টিউমারটি অপারেশনের পরামর্শ দেয়। অনেক টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানান ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা। টাকার অভাবে চিকিৎসা না করিয়ে দুইদিন পরে ওই হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে আসেন। গত দুই মাসে টিউমারটি বড় হয়ে তিন কেজি ওজনের আকার ধারণ করেছে।

টিউমারের উপরে দগদগে লালচে আকার ধারণ করেছে। যন্ত্রণায় শিশুটি ছটফট করছে। ধুকে ধুকে শিশুটি মৃত্যুর প্রহর গুনছে।

শিশুটির বাবা রিয়াজ শরীফ দিনমজুর। মা শাহানাজ আক্তার অন্যের বাড়িকে ঝিয়ের কাজ করে। সহায় সম্ভব বলতে ওই দম্পতির বসত ভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই। শিশুটিকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন শিশুটির চিকিৎসা করাতে প্রায় তিন লাখ টাকার দরকার। কিন্তু দরিদ্র বাবার পক্ষে এত টাকা খরচ করে শিশুটির চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। চিকিৎসার টাকার জন্য ওই দম্পতি বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

শিশু সানাউলের মা শাহনাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার একটায় ছেলে। সে টিউমার নিয়ে জন্ম নিয়েছে। আমাদের কোনো টাকা নাই। কী দিয়ে ছেলের চিকিৎসা করাবো? আপনারা আমার ছেলেটাকে বাঁচান।

শিশু সানাউলের বাবা রিয়াজ শরীফ বলেন, শিশুটি জন্মগতভাবেই টিউমারটি হয়। টিউমারটি দিন দিন বড় হচ্ছে। টাকার অভাবে ঢাকায় চিকিৎসা করাতে নিয়েও ফিরে এসেছি। চিকিৎসকরা বলেছে প্রায় তিন লাখ টাকার প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশের দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতার কামনা করছি। সহযোগিতা পাঠানোর বিকাশ নম্বর ০১৭৭৫৩৬১৯৩৩।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন