মুন্সীগঞ্জে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত
jugantor
মুন্সীগঞ্জে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:৪৯:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বজনদের আহাজারি
স্বজনদের আহাজারি। ছবি: যুগান্তর

শরীয়তপুরের সুরেশ্বর থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চ এমভি মানিক-৪ ও ঢাকা থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসা লঞ্চ বোগদাদীয়া-১৩ মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকায় পৌঁছলে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই হুমায়ুন কবির বন্দুকচি (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১২ জন। 

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হুমায়ুন কবির শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর এলাকার আবদুল হাই বন্দুকচির ছেলে। 

নিহতের স্ত্রী সীমা বেগম জানান, ঢাকার উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরে একটি হাউজিং কোম্পানিতে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন হুমায়ুন। শুক্রবার সকালে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তিনি বাড়ি এসে রাতের লঞ্চে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। 

মধ্যরাতে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর নামক স্থানে পৌঁছলে বোগদাদীয়া-১৩ লঞ্চের সঙ্গে এমভি মানিক-৪ লঞ্চের ডেকের মাঝামাঝি বিশাল অংশজুড়ে ধাক্কা লেগে এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এমভি মানিক-৪ লঞ্চের অধিকাংশ যাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে তারা আতংকিত হয়ে পড়ে এবং লঞ্চের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। 

এতে ঘটনাস্থলে হুমায়ুন কবীর বন্দুকচির দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে মারাত্মক আহত হন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তিনি লঞ্চের মধ্যেই মারা যান। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মিডর্ফোট হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার সময় সোনিয়া (৩০) দু’পা জখম হয়েছে এবং সানামিয়া (৪৬) নামে একজনের দু’পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 

লঞ্চের ম্যানেজার আ. জলিল বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে বোগদাদীয়া লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কায় আমাদের লঞ্চের একজন যাত্রী মারা গেছেন। এ ঘটনায় আরও ১২ জন আহত হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্বজনদের আহাজারি
স্বজনদের আহাজারি। ছবি: যুগান্তর

শরীয়তপুরের সুরেশ্বর থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চ এমভি মানিক-৪ ও ঢাকা থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসা লঞ্চ বোগদাদীয়া-১৩ মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকায় পৌঁছলে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই হুমায়ুন কবির বন্দুকচি (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১২ জন।

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হুমায়ুন কবির শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর এলাকার আবদুল হাই বন্দুকচির ছেলে।

নিহতের স্ত্রী সীমা বেগম জানান, ঢাকার উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরে একটি হাউজিং কোম্পানিতে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন হুমায়ুন। শুক্রবার সকালে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তিনি বাড়ি এসে রাতের লঞ্চে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

মধ্যরাতে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর নামক স্থানে পৌঁছলে বোগদাদীয়া-১৩ লঞ্চের সঙ্গে এমভি মানিক-৪ লঞ্চের ডেকের মাঝামাঝি বিশাল অংশজুড়ে ধাক্কা লেগে এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এমভি মানিক-৪ লঞ্চের অধিকাংশ যাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে তারা আতংকিত হয়ে পড়ে এবং লঞ্চের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে।

এতে ঘটনাস্থলে হুমায়ুন কবীর বন্দুকচির দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে মারাত্মক আহত হন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তিনি লঞ্চের মধ্যেই মারা যান। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মিডর্ফোট হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার সময় সোনিয়া (৩০) দু’পা জখম হয়েছে এবং সানামিয়া (৪৬) নামে একজনের দু’পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

লঞ্চের ম্যানেজার আ. জলিল বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে বোগদাদীয়া লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কায় আমাদের লঞ্চের একজন যাত্রী মারা গেছেন। এ ঘটনায় আরও ১২ জন আহত হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন