কাস্তে হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক
jugantor
কাস্তে হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৫:০৭:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল
কাস্তে হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। ছবি: যুগান্তর

হাতে কাস্তে। আর কোমরে গামছা বেঁধে দিব্যি কৃষকের বেশে নিজ হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। এ সময় তিনি বলেন, কৃষিকাজ সম্মানের কাজ। 

এ পেশায় জড়িত কৃষকরা সমাজের মর্যাদাবান সন্তান। তাদের মতো করে কৃষিকাজ করাটাও সম্মানের বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

শনিবার বিকালে শহরের অদূরে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের যোগরাজপুর গ্রামের মাঠে তিনি নিজ হাতে ধান কেটে ধানকর্তন উদ্বোধন করলেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ আয়োজিত ধানকর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক অরবিন্দ বিশ্বাস। 

এ সময় কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, এনডিসি সজল মোল্লা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যুবায়ের হোসেন, ম্যাজিস্ট্রেট ইন্দ্রজিৎ সাহা, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে কৃষকের হাতে কৃষি সরঞ্জাম, বীজ সার পৌঁছে দিচ্ছে। কৃষক রোদবৃষ্টিতে ভিজে  মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ধান উৎপাদন করছেন। অথচ মধ্যস্বত্বভোগীরা তাদের মুনাফা চুষে নিয়ে তাদের সর্বস্বান্ত করছেন। 

সরকার ধান ও কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এবার কৃষকের ধান বিক্রির সময় দালাল-বাটপাড়রা যাতে ভাগ বসাতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

কাস্তে হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল
কাস্তে হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। ছবি: যুগান্তর

হাতে কাস্তে। আর কোমরে গামছা বেঁধে দিব্যি কৃষকের বেশে নিজ হাতে ধান কাটলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। এ সময় তিনি বলেন, কৃষিকাজ সম্মানের কাজ।

এ পেশায় জড়িত কৃষকরা সমাজের মর্যাদাবান সন্তান। তাদের মতো করে কৃষিকাজ করাটাও সম্মানের বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার বিকালে শহরের অদূরে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের যোগরাজপুর গ্রামের মাঠে তিনি নিজ হাতে ধান কেটে ধানকর্তন উদ্বোধন করলেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ আয়োজিত ধানকর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক অরবিন্দ বিশ্বাস।

এ সময় কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, এনডিসি সজল মোল্লা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যুবায়ের হোসেন, ম্যাজিস্ট্রেট ইন্দ্রজিৎ সাহা, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে কৃষকের হাতে কৃষি সরঞ্জাম, বীজ সার পৌঁছে দিচ্ছে। কৃষক রোদবৃষ্টিতে ভিজে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ধান উৎপাদন করছেন। অথচ মধ্যস্বত্বভোগীরা তাদের মুনাফা চুষে নিয়ে তাদের সর্বস্বান্ত করছেন।

সরকার ধান ও কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এবার কৃষকের ধান বিক্রির সময় দালাল-বাটপাড়রা যাতে ভাগ বসাতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।