পুলিশের হাতে আটক যুবক আতঙ্কে সংজ্ঞাহীন
jugantor
পুলিশের হাতে আটক যুবক আতঙ্কে সংজ্ঞাহীন

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৯:১৯:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিন্টু হোসেন
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিন্টু হোসেন

পুলিশের হাতে আটক মিন্টু হোসেন (৩৫) নামের এক যুবক আতঙ্কে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তার নিজ এলাকা বসন্তপুর বিল থেকে ৩ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করার পর আতঙ্কে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।

সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা বেগতিক দেখে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, সংজ্ঞাহীন যুবক মিন্টু হোসেন লালপুর উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের শুকচান আলীর ছেলে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তার নিজ এলাকা বসন্তপুর বিল থেকে ৩ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এ সময় তিনি আতঙ্কে অজ্ঞান হয়ে যান। এ অবস্থায় তাকে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মিন্টু হোসেনকে আটকের পর তার আত্মীয়-স্বজন পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধ্বস্তাধস্তি হয়। এ অবস্থায় পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার পর সংজ্ঞাহীন হয়ে যান।

বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিন্টু হোসেনের মা ফাতেমা বেগম জানান, পুলিশের মারধরে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ অবস্থায় প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুল্লাহ হিল কাফি জানান, মিন্টু হোসেনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

লালপুর থানার এসআই  ফজলুল হক জানান, মিন্টু একজন মাদক ব্যবসায়ী। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে সাদা পোশাকে আমি ও এসআই  খায়রুল আলমসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে ৩ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। আটকের পর তার স্বজনরা বাঁধা দেন। এ সময় তাদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি হয়। তারপর তিনি আতঙ্কে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।

পুলিশের হাতে আটক যুবক আতঙ্কে সংজ্ঞাহীন

 বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিন্টু হোসেন
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিন্টু হোসেন

পুলিশের হাতে আটক মিন্টু হোসেন (৩৫) নামের এক যুবক আতঙ্কে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তার নিজ এলাকা বসন্তপুর বিল থেকে ৩ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করার পর আতঙ্কে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।

সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা বেগতিক দেখে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, সংজ্ঞাহীন যুবক মিন্টু হোসেন লালপুর উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের শুকচান আলীর ছেলে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তার নিজ এলাকা বসন্তপুর বিল থেকে ৩ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এ সময় তিনি আতঙ্কে অজ্ঞান হয়ে যান। এ অবস্থায় তাকে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মিন্টু হোসেনকে আটকের পর তার আত্মীয়-স্বজন পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধ্বস্তাধস্তি হয়। এ অবস্থায় পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার পর সংজ্ঞাহীন হয়ে যান।

বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিন্টু হোসেনের মা ফাতেমা বেগম জানান, পুলিশের মারধরে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ অবস্থায় প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুল্লাহ হিল কাফি জানান, মিন্টু হোসেনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

লালপুর থানার এসআই ফজলুল হক জানান, মিন্টু একজন মাদক ব্যবসায়ী। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে সাদা পোশাকে আমি ও এসআই খায়রুল আলমসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে ৩ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। আটকের পর তার স্বজনরা বাঁধা দেন। এ সময় তাদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি হয়। তারপর তিনি আতঙ্কে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।