বেশি নম্বর দেয়ার প্রলোভনে ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে শৌচাগার পরিষ্কার!
jugantor
বেশি নম্বর দেয়ার প্রলোভনে ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে শৌচাগার পরিষ্কার!

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

১১ জানুয়ারি ২০২০, ০৬:৪৮:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ে পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুলের শৌচাগার পরিষ্কার করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর দক্ষিণ আরাজী শিংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

খুশি নামে ওই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী জানায়, ‘ম্যাম আমাদের বলেছেন, শৌচাগার পরিষ্কার করে দিলে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেবেন কিন্তু তিনি আমাকে ফেল করিয়ে দিয়েছেন। সে কেঁদে কেঁদে বলে, আমাকে পাস করিয়ে না দিলে আর স্কুলে আসব না।’

একই অভিযোগ রাব্বী ইসলাম ও স্বাধীন বেসরা নামে দুই শিক্ষার্থীর। পঞ্চম শ্রেণির প্রাক্তন শিক্ষার্থী রুপালি মুরমুও একই অভিযোগ করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ম্যামরা খাওয়ার থালা-বাসনও তাদের দিয়ে পরিষ্কার করান।

দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী খুশির বাবা খলিল প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, শিশুদের দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার করানো অমানবিক ও দুঃখজনক।

জানা গেছে, স্কুলটির ২০৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী। এবছর বার্ষিকী পরীক্ষায় ১৭ জন শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে। তৃতীয় শ্রেণির ৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জন পরীক্ষায় পাশ করেছে। আর চতুর্থ শ্রেণির ৪৯জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৬ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট নয় অভিভাবকরা। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সঞ্চিতা রাণীর বাবা প্রদীপ কুমার রায় অভিযোগ করেন, শিক্ষকদের উদাসীনতা ও অবহেলার কারণে পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ হচ্ছে না এই বিদ্যালয়ের।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুন নাহার বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শিশুদের টয়লেট পরিষ্কার করানো শেখানো হচ্ছে। তিনি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য দায়ী করেন অভিভাবকদের অসচেতনতাকে।

বেশি নম্বর দেয়ার প্রলোভনে ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে শৌচাগার পরিষ্কার!

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
১১ জানুয়ারি ২০২০, ০৬:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ে পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুলের শৌচাগার পরিষ্কার করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর দক্ষিণ আরাজী শিংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

খুশি নামে ওই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী জানায়, ‘ম্যাম আমাদের বলেছেন, শৌচাগার পরিষ্কার করে দিলে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেবেন কিন্তু  তিনি আমাকে ফেল করিয়ে দিয়েছেন। সে কেঁদে কেঁদে বলে, আমাকে পাস করিয়ে না দিলে আর স্কুলে আসব না।’

একই অভিযোগ রাব্বী ইসলাম ও স্বাধীন বেসরা নামে দুই শিক্ষার্থীর। পঞ্চম শ্রেণির প্রাক্তন শিক্ষার্থী রুপালি মুরমুও একই অভিযোগ করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ম্যামরা খাওয়ার থালা-বাসনও তাদের দিয়ে পরিষ্কার করান।

দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী খুশির বাবা খলিল প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, শিশুদের দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার করানো অমানবিক ও দুঃখজনক।

জানা গেছে, স্কুলটির ২০৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী। এবছর বার্ষিকী পরীক্ষায় ১৭ জন শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে। তৃতীয় শ্রেণির  ৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জন পরীক্ষায় পাশ করেছে। আর চতুর্থ শ্রেণির ৪৯জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৬ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট  নয় অভিভাবকরা। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সঞ্চিতা রাণীর বাবা প্রদীপ কুমার রায় অভিযোগ করেন, শিক্ষকদের উদাসীনতা ও অবহেলার কারণে পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ হচ্ছে না এই বিদ্যালয়ের।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুন নাহার বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শিশুদের টয়লেট পরিষ্কার করানো শেখানো হচ্ছে। তিনি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য দায়ী করেন অভিভাবকদের অসচেতনতাকে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন