এগারোসিন্দুর ট্রেনে ডাকাতি, চারজনের ১০ বছরের জেল
jugantor
এগারোসিন্দুর ট্রেনে ডাকাতি, চারজনের ১০ বছরের জেল

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

১৪ জানুয়ারি ২০২০, ২২:৩২:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রেন
ট্রেন। ফাইল ছবি

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস (প্রভাতী) যাত্রীদের প্রকাশ্য দিবালোকে ছুরিকাঘাতে আহত করে টাকা লুটের দুর্ধর্ষ ডাকাতি মামলায় চার ব্যক্তিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। 

এ দিকে এ মামলার অপর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
 
সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ভৈরবের আমলাপাড়া গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে সোহেল ওরফে টপ্পো (২০), উপজেলার জগন্নাথপুরের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত গেন্দু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪২), একই উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামেরই মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল লতিফ (৪২) এবং গ্রামের হুমায়ুন কমান্ডারের ছেলে সোহাগ (৩১)। 

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত চার আসামির মধ্যে মোহাম্মদ আলী ও আব্দুল লতিফ আদালতে উপস্থিত ছিল। এ ছাড়া সোহেল ওরফে টপ্পো ও সোহাগ নামের অন্য দু'জন পলাতক ছিল।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস (প্রভাতী) ট্রেনটি ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে ছাড়া পর পথে ট্রেনটিতে ডাকাতদল হানা দেয়। 

এ সময় ট্রেনযাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়াকে ছুরিকাঘাতে আহত করে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এ ঘটনায় হেলাল মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করে ভৈরব জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীকালে ২০১৯ সালের ১৬ মে মামলার তৃতীয় ও সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা জিআরপি থানার এসআই আবুল কাসেম আকন্দ তদন্ত শেষে ১২ জনকে চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

দীর্ঘ সাক্ষ্য-শুনানি শেষে সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত এ রায় প্রদান করেন।

এগারোসিন্দুর ট্রেনে ডাকাতি, চারজনের ১০ বছরের জেল

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রেন
ট্রেন। ফাইল ছবি

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস (প্রভাতী) যাত্রীদের প্রকাশ্য দিবালোকে ছুরিকাঘাতে আহত করে টাকা লুটের দুর্ধর্ষ ডাকাতি মামলায় চার ব্যক্তিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।

এ দিকে এ মামলার অপর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ভৈরবের আমলাপাড়া গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে সোহেল ওরফে টপ্পো (২০), উপজেলার জগন্নাথপুরের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত গেন্দু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪২), একই উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামেরই মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল লতিফ (৪২) এবং গ্রামের হুমায়ুন কমান্ডারের ছেলে সোহাগ (৩১)।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত চার আসামির মধ্যে মোহাম্মদ আলী ও আব্দুল লতিফ আদালতে উপস্থিত ছিল। এ ছাড়া সোহেল ওরফে টপ্পো ও সোহাগ নামের অন্য দু'জন পলাতক ছিল।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস (প্রভাতী) ট্রেনটি ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে ছাড়া পর পথে ট্রেনটিতে ডাকাতদল হানা দেয়।

এ সময় ট্রেনযাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়াকে ছুরিকাঘাতে আহত করে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এ ঘটনায় হেলাল মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করে ভৈরব জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীকালে ২০১৯ সালের ১৬ মে মামলার তৃতীয় ও সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা জিআরপি থানার এসআই আবুল কাসেম আকন্দ তদন্ত শেষে ১২ জনকে চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্য-শুনানি শেষে সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত এ রায় প্রদান করেন।