ইভটিজিংয়ের পর স্কুলছাত্রীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে মামাকে খুন

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ২২:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর বাঘায় ইভটিজিংয়ের বিষয় বাড়িতে জানানোয় সংঘবদ্ধ হামলা চালিয়ে ইভটিজিংয়ের শিকার মেয়ের মামা নাজমুল হোসেনকে (৩০) প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার সুলতান গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাঘা উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের শাহাজান আলীর মেয়ে ও খানপুর জেপি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাজনিন তাবাসুম বৈশাখীকে (১৫) একই এলাকার মোহাম্মদ ভোলা প্রামাণিকের ছেলে সুমন আলী প্রায়ই রাস্তাঘাটে ইভটিজিং করত। 

ঘটনাটি তার পরিবারকে জানানোর পর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সুমন। মঙ্গলবার বিকালে ছাত্রীর নানার বাড়িতে যাওয়ার পথে পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় কথা বলে এবং ইভটিজিং করে। ওই ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনকে জানায়। বিষয়টি সুমন আলী ও তার বাবা মোহাম্মদ ভোলাকে অবগত করা হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। 

একপর্যায়ে সুমন আলীসহ ১০-১৫ জনের একটি দল সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীর বাবা শাহাজান আলীর বাড়ি ঘেরাও করে মারপিট শুরু করে। পরে ছাত্রীর মামা নাজমুল হোসেন এগিয়ে আসলে তাকে ধারালো হাসুয়া, চাইনিজ কুড়াল, চাকু দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। 

এ ঘটনায় মেয়ের ভাই তারিকুল ইসলাম তুষারকেও মারপিট করে আহত করা হয়েছে। পরে নাজমুল হোসেনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে আহত অবস্থায় ছাত্রীর বাবা শাহাজান আলী ও ভাই তারিকুল ইসলাম তুষারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ হয়নি।