একযুগ পর শেকলমুক্ত ইজাজুল, চিকিৎসার দায়িত্ব ইউএনওর
jugantor
একযুগ পর শেকলমুক্ত ইজাজুল, চিকিৎসার দায়িত্ব ইউএনওর

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

১৬ জানুয়ারি ২০২০, ২০:৩৬:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

ইজাজুলকে শেকলমুক্ত করেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার মোহাম্মদ রায়হান

যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে সংবাদ প্রকাশের পর শেকলবন্দি সেই ইজাজুলকে শেকলমুক্ত করলেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার মোহাম্মদ রায়হান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউএনও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রেজাউল করিমকে সঙ্গে নিয়ে গুনাইগাছা ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামে ইজাজুলের বাড়িতে যান।

এ সময় ইজাজুলকে শেকলমুক্ত করার পর তার ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল করিমের জিম্মায় দিয়ে আসেন।

রোববার উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তাকে (ইজাজুল) পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে এবং চিকিৎসার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে উপজেলা প্রশাসন।

এর আগে বুধবার যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে ‘একযুগেরও বেশি শেকলবন্দি ইজাজুল!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। দীর্ঘ একযুগেরও অধিক সময় পর মানসিক প্রতিবন্ধী ইজাজুল ওরফে কালু শেকলমুক্ত হওয়ায় ইউএনও এবং যুগান্তর প্রতিনিধিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ইউএনও সরকার মোহাম্মদ রায়হান যুগান্তরকে বলেন, ‘বর্তমান সমাজব্যবস্থায় একজন মানুষকে শেকলবন্দি করে রাখা খুবই অমানবিক। সংবাদটি দেখার পর ইজাজুল নামের ওই যুবককে শেকলমুক্ত করা হয়েছে। তার সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেছে, উন্নত চিকিৎসা পেলে সে সুস্থ হবে। তার চিকিৎসার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করা হবে এবং ওই যুবকের পাশে থাকবে উপজেলা প্রশাসন।’

প্রসঙ্গত, পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামের মৃত মনতাজ প্রামাণিকের ছেলে ইজাজুল জন্ম থেকেই মানসিক প্রতিবন্ধী। বাবা মারা যাওয়ার পর দীর্ঘ একযুগেরও অধিক সময় ধরে স্বজনরা তাকে শেকলবন্দি করে রাখে।

তবে মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে আগলে রাখতেন মা। কিন্তু বছর চারেক আগে তছিরন খাতুন মারা যাওয়ায় ইজাজুলের কষ্ট আরও বেড়ে যায়। ৬ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে চতুর্থ ইজাজুল। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর দারিদ্রেতার অজুহাত দেখিয়ে তার চিকিৎসা বন্ধ করে রাখে পরিবারের লোকজন।

একযুগ পর শেকলমুক্ত ইজাজুল, চিকিৎসার দায়িত্ব ইউএনওর

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
১৬ জানুয়ারি ২০২০, ০৮:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইজাজুলকে শেকলমুক্ত করেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার মোহাম্মদ রায়হান
ইজাজুলকে শেকলমুক্ত করেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার মোহাম্মদ রায়হান

যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে সংবাদ প্রকাশের পর শেকলবন্দি সেই ইজাজুলকে শেকলমুক্ত করলেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার মোহাম্মদ রায়হান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউএনও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রেজাউল করিমকে সঙ্গে নিয়ে গুনাইগাছা ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামে ইজাজুলের বাড়িতে যান।

এ সময় ইজাজুলকে শেকলমুক্ত করার পর তার ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল করিমের জিম্মায় দিয়ে আসেন।

রোববার উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তাকে (ইজাজুল) পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে এবং চিকিৎসার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে উপজেলা প্রশাসন।

এর আগে বুধবার যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে ‘একযুগেরও বেশি শেকলবন্দি ইজাজুল!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। দীর্ঘ একযুগেরও অধিক সময় পর মানসিক প্রতিবন্ধী ইজাজুল ওরফে কালু শেকলমুক্ত হওয়ায় ইউএনও এবং যুগান্তর প্রতিনিধিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। 

ইউএনও সরকার মোহাম্মদ রায়হান যুগান্তরকে বলেন, ‘বর্তমান সমাজব্যবস্থায় একজন মানুষকে শেকলবন্দি করে রাখা খুবই অমানবিক। সংবাদটি দেখার পর ইজাজুল নামের ওই যুবককে শেকলমুক্ত করা হয়েছে। তার সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেছে, উন্নত চিকিৎসা পেলে সে সুস্থ হবে। তার চিকিৎসার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করা হবে এবং ওই যুবকের পাশে থাকবে উপজেলা প্রশাসন।’ 

প্রসঙ্গত, পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামের মৃত মনতাজ প্রামাণিকের ছেলে ইজাজুল জন্ম থেকেই মানসিক প্রতিবন্ধী। বাবা মারা যাওয়ার পর দীর্ঘ একযুগেরও অধিক সময় ধরে স্বজনরা তাকে শেকলবন্দি করে রাখে।

তবে মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে আগলে রাখতেন মা। কিন্তু বছর চারেক আগে তছিরন খাতুন মারা যাওয়ায় ইজাজুলের কষ্ট আরও বেড়ে যায়। ৬ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে চতুর্থ ইজাজুল। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর দারিদ্রেতার অজুহাত দেখিয়ে তার চিকিৎসা বন্ধ করে রাখে পরিবারের লোকজন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন