নুসরাত হত্যার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সঙ্গে বিরোধে ৬ জনকে কুপিয়ে জখম
jugantor
নুসরাত হত্যার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সঙ্গে বিরোধে ৬ জনকে কুপিয়ে জখম

  সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি  

১৬ জানুয়ারি ২০২০, ২২:০৮:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে রাতে ঘরে ঢুকে একই পরিবারের ৬ জন নারী-পুরুষকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ নুসরাত হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ভাই ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সোনাগাজী বাজার সংলগ্ন পাণ্ডব বাড়িতে ঢুকে তাদের কুপিয়ে জখম করা হয়।

আহতরা হলেন- হেদায়েত উল্লাহ মিন্টু, নূর নাহার, মাহমুদুল হক জাবেদ, সুলতানা আক্তার, রাজিয়া সুলতানা ও মাহমুদা আক্তার।

পুলিশ ও আহতরা জানান, পাণ্ডব বাড়ির মাহমুদুল হক জাবেদ গংয়ের সঙ্গে একই বাড়ির পৌর কাউন্সিলর (নুসরাত হত্যা মালায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি আসামি) মাকসুদ আলম ও তার ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জের ধরে বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মাকসুদ আলমের ভাই হেলাল উদ্দিন, মাইন উদ্দিন রুবেল, সবুজ, ভোলা মিয়া, রবিন ও ফাহাদের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন মাহমুদুল হক জাবেদের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়।

তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে ৬ জনকে গুরুতর আহত করে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খুজ্জিস্তা আক্তার দীপা জানান, আহতদের সবাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। এদের মধ্যে নূর নাহার ও হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ ব্যাপারে মাহমুদুল হক জাবেদ বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ ও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নুসরাত হত্যার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সঙ্গে বিরোধে ৬ জনকে কুপিয়ে জখম

 সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি 
১৬ জানুয়ারি ২০২০, ১০:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে রাতে ঘরে ঢুকে একই পরিবারের ৬ জন নারী-পুরুষকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ নুসরাত হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ভাই ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সোনাগাজী বাজার সংলগ্ন পাণ্ডব বাড়িতে ঢুকে তাদের কুপিয়ে জখম করা হয়।

আহতরা হলেন- হেদায়েত উল্লাহ মিন্টু, নূর নাহার, মাহমুদুল হক জাবেদ, সুলতানা আক্তার, রাজিয়া সুলতানা ও মাহমুদা আক্তার।

পুলিশ ও আহতরা জানান, পাণ্ডব বাড়ির মাহমুদুল হক জাবেদ গংয়ের সঙ্গে একই বাড়ির পৌর কাউন্সিলর (নুসরাত হত্যা মালায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি আসামি) মাকসুদ আলম ও তার ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জের ধরে বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মাকসুদ আলমের ভাই হেলাল উদ্দিন, মাইন উদ্দিন রুবেল, সবুজ, ভোলা মিয়া, রবিন ও ফাহাদের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন মাহমুদুল হক জাবেদের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়।

তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে ৬ জনকে গুরুতর আহত করে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খুজ্জিস্তা আক্তার দীপা জানান, আহতদের সবাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। এদের মধ্যে নূর নাহার ও হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ ব্যাপারে মাহমুদুল হক জাবেদ বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ ও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন