বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর-কনের গায়েহলুদ

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ১৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর-কনের গায়েহলুদ
বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর-কনের গায়েহলুদ

বাঙালি সংস্কৃতির বহুল প্রচলিত উৎসবগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি উৎসব গায়েহলুদ। বাঙালি বিয়ের যে কয়টি পর্ব পালিত হয় তার মধ্যে অন্যতম বর্ণিল ও বর্ণাঢ্য পর্বটিই হচ্ছে গায়েহলুদ। গায়েহলুদ আয়োজন ঘিরে থাকে নানান পরিকল্পনা ও উচ্ছ্বাস।

আগের দিনে বাড়ির উঠোন কিংবা ছাদেই সেরে ফেলা হতো গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। শামিয়ানা টানিয়ে বর-কনের আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবরা হইচই করে হলুদ মাখিয়ে গায়েহলুদের আনুষ্ঠানিকতা সারত। গত কয়েক বছরে নগর সভ্যতায় রেস্তোরাঁর হল, কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করে গায়েহলুদের আয়োজন করতে দেখা গেছে।

তবে সম্প্রতি গায়েহলুদে দেখা গেছে নতুন এক ব্যতিক্রমী আয়োজন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের গায়েহলুদের আয়োজন হয়েছে তাদের ক্যাম্পাসেই।

এমনই এক ভিন্নধর্মী গায়েহলুদের সাক্ষী হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকপাড়ে একদল তরুণ-তরুণীর হলদে শাড়ি-পাঞ্জাবিতে চোখ আটকে যাচ্ছে পথচারীদের। সবাই একটু-আধটু উঁকি দিয়ে দেখছে। ক্যাম্পাসে গায়েহলুদের আয়োজন যে বশেমুরবিপ্রবিতে এবারই প্রথম।

বাঁশের ডালা, কুলা, চালুন ও মাটির সরা, ঘড়া, মটকা দিয়ে বিয়ের বাড়ির আমেজ তৈরির মধ্য দিয়ে বশেমুরবিপ্রবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জুয়েল এবং চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আশার গায়েহলুদ হয়েছে।

গায়েহলুদের এ আয়োজন বর এবং কনের পরিবারের লোকজন কেউ করেননি। বিয়ের অনুষ্ঠানে সব বন্ধুরা উপস্থিত থাকতে পারবে না বলেই ক্যাম্পাসে এমন ভিন্নধর্মী গায়েহলুদের আয়োজন করে তাদের সহপাঠীরা।

চিরাচরিত গায়েহলুদের নিয়মের মতোই হলুদ, মেহেদি মাখিয়ে সম্পূর্ণ করা হয়েছে সব আনুষ্ঠিনকতা। হলুদে তাদের বন্ধুরাসহ অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এ ভিন্নধর্মী আয়োজন নিয়ে আশার বন্ধু রাফি জানান, বিয়েতে সবার পক্ষে আশার বাড়িতে যাওয়া সম্ভব না, তাই বান্ধবীর বিয়ের মজা করার জন্য ক্যাম্পাসে এই হলুদের ব্যতিক্রমী আয়োজন। আমরা সব বন্ধু-বান্ধবীরা মিলে এই আয়োজন করেছি। এই আয়োজনে আমাদের বিভাগের সব সিনিয়র এবং জুনিয়ররা সহযোগিতা করেছেন।

কনে আশার কাছে ক্যাম্পাসে গায়েহলুদ আয়োজনের অনুভূতি জানতে চাইলে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে তিনি বলেন, নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। ক্যাম্পাসে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান হবে কখনও ভাবিনি। আমি অনেক বেশি আনন্দিত। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×