‘আমি ৩ দিন খাইনি, আমাকে মারিস না’
jugantor
‘আমি ৩ দিন খাইনি, আমাকে মারিস না’

  গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১৯ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:০১:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আমি ৩ দিন খাইনি, আমাকে মারিস না’

আহত ছেলের ওষুধ আনতে গিয়ে প্রতিবেশীর ধারালো অস্ত্রে গুরুতর জখম হন ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার পশ্চিম দাপুনিয়ার হীরা মিয়া (৩৫)।

হামলার সময় হীরা তাদের বারবার অনুনয়-বিনয় করে বলেছেন, ‘আমি তিন দিন ধরে খাই না, উপোস; আমাকে মারিস না’। এমন আকুতি করেও বাঁচতে পারেননি তিনি।

রোববার ভোরে চিকিৎসাধীন ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান আহত হীরা মিয়া।

রোববার দুপুরে সহজ-সরল হীরা মিয়ার জীবনযুদ্ধের এমন বর্ণনা দিতে গিয়ে গৌরীপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আবদুল হালিম এ কথাগুলো বলেন।

হীরার বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার পশ্চিম দাপুনিয়ায়। নিহত হীরা মিয়া মৃত আবু তালেবের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ১২ জানুয়ারি প্রতিবেশী লাল মিয়ার ছেলে পিয়ালের (১২) সঙ্গে খেলা নিয়ে হীরা মিয়ার ছেলে জিহানের (৮) কথা কাটাকাটি হয়। পিয়াল এ সময় জিহানকে মারধর করে।

ওই দিন রাতে জিহানের জন্য ওষুধ আনতে যাওয়ার পথে লাল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা হীরা মিয়ার গতিরোধ করে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে ছোট ভাই মানিক মিয়া (৩০) ভাইকে বাঁচাতে গেলে তাকেও কুপিয়ে আহত করে তারা।

আহত দুভাইকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হীরার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকায়। চিকিৎসাধীন রোববার ভোরে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহতের স্ত্রী নাজমা আক্তার স্বামীর মৃত্যুর খবরে জ্ঞান হারান। প্রায় ৩-৪ ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরে এলেও এখন রয়েছেন বাকরুদ্ধ। ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তার মা আম্বিয়া খাতুন।

গৌরীপুর থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন জানান, নিহতের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

‘আমি ৩ দিন খাইনি, আমাকে মারিস না’

 গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১৯ জানুয়ারি ২০২০, ০৩:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘আমি ৩ দিন খাইনি, আমাকে মারিস না’
হীরা মিয়া। ছবি: যুগান্তর

আহত ছেলের ওষুধ আনতে গিয়ে প্রতিবেশীর ধারালো অস্ত্রে গুরুতর জখম হন ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার পশ্চিম দাপুনিয়ার হীরা মিয়া (৩৫)।

হামলার সময় হীরা তাদের বারবার অনুনয়-বিনয় করে বলেছেন, ‘আমি তিন দিন ধরে খাই না, উপোস; আমাকে মারিস না’। এমন আকুতি করেও বাঁচতে পারেননি তিনি।

রোববার ভোরে চিকিৎসাধীন ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান আহত হীরা মিয়া।

রোববার দুপুরে সহজ-সরল হীরা মিয়ার জীবনযুদ্ধের এমন বর্ণনা দিতে গিয়ে গৌরীপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আবদুল হালিম এ কথাগুলো বলেন।

হীরার বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার পশ্চিম দাপুনিয়ায়। নিহত হীরা মিয়া মৃত আবু তালেবের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ১২ জানুয়ারি প্রতিবেশী লাল মিয়ার ছেলে পিয়ালের (১২) সঙ্গে খেলা নিয়ে হীরা মিয়ার ছেলে জিহানের (৮) কথা কাটাকাটি হয়। পিয়াল এ সময় জিহানকে মারধর করে।

ওই দিন রাতে জিহানের জন্য ওষুধ আনতে যাওয়ার পথে লাল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা হীরা মিয়ার গতিরোধ করে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে ছোট ভাই মানিক মিয়া (৩০) ভাইকে বাঁচাতে গেলে তাকেও কুপিয়ে আহত করে তারা।

আহত দুভাইকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হীরার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকায়। চিকিৎসাধীন রোববার ভোরে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহতের স্ত্রী নাজমা আক্তার স্বামীর মৃত্যুর খবরে জ্ঞান হারান। প্রায় ৩-৪ ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরে এলেও এখন রয়েছেন বাকরুদ্ধ। ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তার মা আম্বিয়া খাতুন।

গৌরীপুর থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন জানান, নিহতের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন