ঝিানইগাতীতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা
jugantor
ঝিানইগাতীতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা

  শেরপুর প্রতিনিধি  

২৪ জানুয়ারি ২০২০, ১৭:১১:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝিানইগাতীতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা
ছবি: যুগান্তর

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অতি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শুক্রবার সকালে উপজেলার কালিবাড়ি নজরুল একাডেমিতে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী উন্নয়ন সংস্থা’ (ডপস) এ পরীক্ষার আয়োজন করে। পরীক্ষায় অংশ নেয় জেলার ৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০১৯ সালের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৫০ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত বর্তমানে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।

জোলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম ও কবি সাহিত্যিক হাসান শরাফতের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা পরিচালনায় অংশ নেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে অধ্যয়নরত ডপস সদস্যরা। পরীক্ষার আগে জেলা পরিষদের সদস্য নজরুল ইসলাম দিক নির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।

ডপস প্রতিষ্ঠাতা সেনা সদস্য শাহীন মিয়া বিএসপি জানান, পরীক্ষায় পাঠ্যবই থেকে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণজ্ঞানে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে যারা নির্বাচিত হবে পরবর্তীতে সরজমিনে পরিবারের অবস্থা যাচাইপূর্বক ৩০ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে। তাদেরকে প্রতিমাসে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ ও উচ্চ শিক্ষার জন্য সহায়তা প্রধান করা হবে। ২০১৬ সাল থেকে এ জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঝিানইগাতীতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা

 শেরপুর প্রতিনিধি 
২৪ জানুয়ারি ২০২০, ০৫:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঝিানইগাতীতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা
ছবি: যুগান্তর

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অতি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকালে উপজেলার কালিবাড়ি নজরুল একাডেমিতে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী উন্নয়ন সংস্থা’ (ডপস) এ পরীক্ষার আয়োজন করে। পরীক্ষায় অংশ নেয় জেলার ৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০১৯ সালের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৫০ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত বর্তমানে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।

জোলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম ও কবি সাহিত্যিক হাসান শরাফতের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা পরিচালনায় অংশ নেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে অধ্যয়নরত ডপস সদস্যরা। পরীক্ষার আগে জেলা পরিষদের সদস্য নজরুল ইসলাম দিক নির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।

ডপস প্রতিষ্ঠাতা সেনা সদস্য শাহীন মিয়া বিএসপি জানান, পরীক্ষায় পাঠ্যবই থেকে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণজ্ঞানে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে যারা নির্বাচিত হবে পরবর্তীতে সরজমিনে পরিবারের অবস্থা যাচাইপূর্বক ৩০ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে। তাদেরকে প্রতিমাসে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ ও উচ্চ শিক্ষার জন্য সহায়তা প্রধান করা হবে। ২০১৬ সাল থেকে এ জুনিয়র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন