শীতেও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
jugantor
শীতেও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি  

২৬ জানুয়ারি ২০২০, ২২:৫৩:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

শীতেও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
শীতেও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা-তেঁতুলিয়াসহ কয়েকটি নদীতে গত ১৫ দিন যাবৎ প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।

শীত মৌসুমে হঠাৎ জালে এত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরাও অবাক। এতে এ অঞ্চলের বড় বড় মৎস্য আড়তে ইলিশ বিকিকিনির ধুম পড়েছে।

নদীতে পর্যপ্ত ইলিশ পড়ার ফলে সরবরাহ থাকায় মূল্যও কমেছে। ক্রেতারাও রয়েছে বেশ খুশি। ইলিশ কিনছেন যে যার সাধ্যমতো।

তবে ঢাকা-চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্রয় করা ইলিশ ককশিটে বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা।

শনিবার মৎস্য ঘাটে গিয়ে জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৪-১৫ দিন থেকে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। বেশিরভাগ ইলিশের ওজন প্রায় এক কেজি। এ শীত মৌসুমে মেঘনায় এত ইলিশ ধরা পড়ার নজির নেই।

চরফ্যাশনের বেতুয়া মৎস্য ঘাটের আরড়দার নূরে আলম মাস্টার বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা মাছ ধরা বন্ধ থাকায় সাগর ও নদীতে মাছের উৎপাদন বেড়েছে। ফলে শীত মৌসুমেও জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।

তিনি জানান, বর্ষার মতো শীতে ইলিশের বেশি চাহিদা থাকে না। তাই চাহিদার তুলনায় ইলিশ আমদানি বেশি হওয়ায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম কমেছে।

এ দিন এক কেজি ওজনের ইলিশের মণ বিক্রি হয়েছে ৩২ হাজার টাকায়। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়েছে ৮০০ টাকা। রফতানিযোগ্য এলসি আকারের (৭০০-৯০০ গ্রাম) প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়েছে ৬৫০ টাকা। হাফ কেজি বা ভেলকা আকারের (৪০০-৫০০ গ্রাম) ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়েছে ৫০০ টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়েছে ৩০০ টাকা।

চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া মৎস্য ঘাট, দুলারহাট গাছিরখাল, বকশী, খেজুরগাছিয়া, সামরাজ, ঢালচর, কুকরি-মুকরি, দক্ষিণ আইচা ও শশীভূষণ বাজারগুলোতে ইলিশের ক্রেতা-বিক্রেতার হাকডাকে এখন সরগরম।

চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বলেন, শীত মৌসুমে স্বরণকালের সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে। মৎস্য ঘাটগুলো উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে রয়েছে।

শীতেও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

 চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি 
২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শীতেও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
শীতেও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা-তেঁতুলিয়াসহ কয়েকটি নদীতে গত ১৫ দিন যাবৎ প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।

শীত মৌসুমে হঠাৎ জালে এত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরাও অবাক। এতে এ অঞ্চলের বড় বড় মৎস্য আড়তে ইলিশ বিকিকিনির ধুম পড়েছে।

নদীতে পর্যপ্ত ইলিশ পড়ার ফলে সরবরাহ থাকায় মূল্যও কমেছে। ক্রেতারাও রয়েছে বেশ খুশি। ইলিশ কিনছেন যে যার সাধ্যমতো।

তবে ঢাকা-চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্রয় করা ইলিশ ককশিটে বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা।

শনিবার মৎস্য ঘাটে গিয়ে জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৪-১৫ দিন থেকে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। বেশিরভাগ ইলিশের ওজন প্রায় এক কেজি। এ শীত মৌসুমে মেঘনায় এত ইলিশ ধরা পড়ার নজির নেই।

চরফ্যাশনের বেতুয়া মৎস্য ঘাটের আরড়দার নূরে আলম মাস্টার বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা মাছ ধরা বন্ধ থাকায় সাগর ও নদীতে মাছের উৎপাদন বেড়েছে। ফলে শীত মৌসুমেও জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।

তিনি জানান, বর্ষার মতো শীতে ইলিশের বেশি চাহিদা থাকে না। তাই চাহিদার তুলনায় ইলিশ আমদানি বেশি হওয়ায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম কমেছে।

এ দিন এক কেজি ওজনের ইলিশের মণ বিক্রি হয়েছে ৩২ হাজার টাকায়। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়েছে ৮০০ টাকা। রফতানিযোগ্য এলসি আকারের (৭০০-৯০০ গ্রাম) প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়েছে ৬৫০ টাকা। হাফ কেজি বা ভেলকা আকারের (৪০০-৫০০ গ্রাম) ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়েছে ৫০০ টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়েছে ৩০০ টাকা।

চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া মৎস্য ঘাট, দুলারহাট গাছিরখাল, বকশী, খেজুরগাছিয়া, সামরাজ, ঢালচর, কুকরি-মুকরি, দক্ষিণ আইচা ও শশীভূষণ বাজারগুলোতে ইলিশের ক্রেতা-বিক্রেতার হাকডাকে এখন সরগরম।

চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বলেন, শীত মৌসুমে স্বরণকালের সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে। মৎস্য ঘাটগুলো উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে রয়েছে।