আবরারের খুনি ইফতির মায়ের আর্তনাদ
jugantor
আবরারের খুনি ইফতির মায়ের আর্তনাদ

  রাজবাড়ী প্রতিনিধি  

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:১৭:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িত ইফতি মোশাররফ সকালের (ইনসেটে) মায়ের আহাজারি
আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িত ইফতি মোশাররফ সকালের (ইনসেটে) মায়ের আহাজারি

আলোচিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িত রাজবাড়ীর ৫নং আসামি ইফতি মোশাররফ সকালের বাবা ফকীর মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন।

শনিবার দুপুরে হঠাৎ করে স্ট্রোক করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে শনিবার তার মৃত্যু হয়।

ফকীর মোশাররফ হোসেনের বাড়ি রাজবাড়ী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ২৮ কলোনি এলাকায়।

স্থানীয় বাসিন্দা লাবনী আক্তার জানান, গত কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে সকালের বাবা বাড়িতে এসে তার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে মামলার ব্যাপারে আমার সামনে আলোচনা করছিলেন। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার আরেক শুনানি হবে। আলোচনা করার কিছুদিন পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানতাম।

সরেজমিন সকালের ফকীর মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী রাবেয়া বেগমের সঙ্গে কথা বললে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ছেলে জেলে, ছেলের বাবাও (স্বামী) চলে গেল, এখন আমি ছোট্ট (ছেলে) স্বপ্নীলকে নিয়ে কিভাবে বাঁচব, স্বপ্নীল যে এতিম হয়ে গেল। ও কীভাবে মানুষ হবে?’

উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে গত বছরের ৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার ফাহাদ। এর জের ধরে পরদিন শেরেবাংলা হলের ২০১১নং কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে তার লাশ সিড়িঁতে ফেলে রাখা হয়।

সেই মামলার ৫ নম্বর আসামি রাজবাড়ীর ইফতি মোশাররফ সকাল। সে বর্তমানে জেলে আছে। তার বাবা ফকীর মোশাররফ শনিবার মারা যান।

আবরারের খুনি ইফতির মায়ের আর্তনাদ

 রাজবাড়ী প্রতিনিধি 
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িত ইফতি মোশাররফ সকালের (ইনসেটে) মায়ের আহাজারি
আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িত ইফতি মোশাররফ সকালের (ইনসেটে) মায়ের আহাজারি

আলোচিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িত রাজবাড়ীর ৫নং আসামি ইফতি মোশাররফ সকালের বাবা ফকীর মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন।

শনিবার দুপুরে হঠাৎ করে স্ট্রোক করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে শনিবার তার মৃত্যু হয়।

ফকীর মোশাররফ হোসেনের বাড়ি রাজবাড়ী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ২৮ কলোনি এলাকায়।

স্থানীয় বাসিন্দা লাবনী আক্তার জানান, গত কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে সকালের বাবা বাড়িতে এসে তার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে মামলার ব্যাপারে আমার সামনে আলোচনা করছিলেন। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার আরেক শুনানি হবে। আলোচনা করার কিছুদিন পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানতাম।

সরেজমিন সকালের ফকীর মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী রাবেয়া বেগমের সঙ্গে কথা বললে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ছেলে জেলে, ছেলের বাবাও (স্বামী) চলে গেল, এখন আমি ছোট্ট (ছেলে) স্বপ্নীলকে নিয়ে কিভাবে বাঁচব, স্বপ্নীল যে এতিম হয়ে গেল। ও কীভাবে মানুষ হবে?’

উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে গত বছরের ৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার ফাহাদ। এর জের ধরে পরদিন শেরেবাংলা হলের ২০১১নং কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে তার লাশ সিড়িঁতে ফেলে রাখা হয়।

সেই মামলার ৫ নম্বর আসামি রাজবাড়ীর ইফতি মোশাররফ সকাল। সে বর্তমানে জেলে আছে। তার বাবা ফকীর মোশাররফ শনিবার মারা যান।

 

ঘটনাপ্রবাহ : বুয়েট ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০