বিয়ের ৭ মাস পর কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
jugantor
বিয়ের ৭ মাস পর কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩:২২:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের ৭ মাস পর কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
কিশোরগঞ্জে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ। ছবি: যুগান্তর

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম চৈতি বেগম (১৮)।

বুধবার সকালে শহরের পঞ্চবটি বউবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত চৈতি উপজেলার পঞ্চবটি এলাকার হেলাল মিয়ার মেয়ে।

এদিকে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ স্বামী সাগর মিয়াকে আটক করেছে।

চৈতির বাবা হেলাল মিয়া জানান, পেশায় অটোরিকশাচালক সাগরের সঙ্গে ৯ মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তার মেয়ের। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই সাগর-চৈতির দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।

বিভিন্ন অজুহাতে সাগর তার মেয়ে চৈতিকে মারধর করত। মঙ্গলবার রাতেও মারধরের ঘটনা ঘটে।

এর পর বুধবার সকালে ঘরে মেয়ের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

তার দাবি, মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। সাগর তার মেয়েকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি মেয়ে হত্যার অভিযোগে সাগরের বিচার দাবি করেন।

এদিকে পুলিশের হাতে আটক সাগর স্ত্রী হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মঙ্গলবার রাতে তার ও চৈতির মাঝে ঝগড়া হয়। তিনি তাকে মারধরও করেছিলেন, কিন্তু তাকে তিনি হত্যা করেননি। রাগে চৈতি আত্মহত্যা করেছে বলে তার দাবি।

ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেজোয়ান আহমেদ দীপু জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ থানায় আনা হয়। ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যার ঘটনা।

 

বিয়ের ৭ মাস পর কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিয়ের ৭ মাস পর কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
কিশোরগঞ্জে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ। ছবি: যুগান্তর

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম চৈতি বেগম (১৮)।

বুধবার সকালে শহরের পঞ্চবটি বউবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত চৈতি উপজেলার পঞ্চবটি এলাকার হেলাল মিয়ার মেয়ে।

এদিকে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ স্বামী সাগর মিয়াকে আটক করেছে।

চৈতির বাবা হেলাল মিয়া জানান, পেশায় অটোরিকশাচালক সাগরের সঙ্গে ৯ মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তার মেয়ের। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই সাগর-চৈতির দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।

বিভিন্ন অজুহাতে সাগর তার মেয়ে চৈতিকে মারধর করত। মঙ্গলবার রাতেও মারধরের ঘটনা ঘটে।

এর পর বুধবার সকালে ঘরে মেয়ের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

তার দাবি, মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। সাগর তার মেয়েকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি মেয়ে হত্যার অভিযোগে সাগরের বিচার দাবি করেন।

এদিকে পুলিশের হাতে আটক সাগর স্ত্রী হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মঙ্গলবার রাতে তার ও চৈতির মাঝে ঝগড়া হয়। তিনি তাকে মারধরও করেছিলেন, কিন্তু তাকে তিনি হত্যা করেননি। রাগে চৈতি আত্মহত্যা করেছে বলে তার দাবি।

ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেজোয়ান আহমেদ দীপু জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ থানায় আনা হয়। ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যার ঘটনা।