বাগেরহাটে এক রাতে ৪ সরকারি অফিসে চুরি
jugantor
বাগেরহাটে এক রাতে ৪ সরকারি অফিসে চুরি

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:১৭:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা পরিষদের সরকারি তিনটি দফতরে চুরি ও একটিতে চেষ্টা চালিয়েছে চোরেরা। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।

চোরেরা প্রত্যেকটি দফতরে ঢুকে আলমারি ও টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে কাগজপত্র এবং মালামাল তছনছ করেছে। লুটে নিয়েছে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা।

বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন ও থানার ওসি এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ ক্ষতিগ্রস্ত অফিস পরিদর্শন করেছেন।

উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন গভীর রাতে চোরচক্র প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস ও পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন অফিসের দরজার কয়ড়া খুলে ভেতরে ঢুকে প্রত্যেক অফিসের আলমারি ও টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে ফেলে। শেষে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দরজা ভাঙার চেষ্টা করলে ওই অফিসের নৈশপ্রহরী টের পাওয়ায় চোরেরা পালিয়ে যায়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চারটি আলমারি ভেঙে কাগজপত্র তছনছ করেছে। উচ্চমান সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটরের আলমারি থেকে তাদের বেতনের ৪০ হাজার এবং শিক্ষা অফিসারের আলমারি থেকে দেড় হাজারসহ মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে গেছে চোরেরা।

উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. আবু রায়হান জানান, রাত প্রায় ৩টার দিকে তার অফিসের দরজা ভাঙার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তাদের নাইটগার্ড টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে দুই চোর দৌড়ে পালিয়ে যায়। তার অফিসে পাঁচ হাজারেরও বেশি দলিল ও মূল্যবান কাগজপত্র রয়েছে। চোরেরা অফিসে ঢুকতে পারলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রত্যেকটি অফিসের নিজস্ব সিকিউরিটি বাড়ানোসহ দ্রুত অফিস ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। আপাতত গ্রাম পুলিশ এনে রাতে অতিরিক্ত পাহারার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

শরণখোলা থানার ওসি এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, চুরি হওয়া অফিসগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। চোরদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

বাগেরহাটে এক রাতে ৪ সরকারি অফিসে চুরি

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা পরিষদের সরকারি তিনটি দফতরে চুরি ও একটিতে চেষ্টা চালিয়েছে চোরেরা। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। 

চোরেরা প্রত্যেকটি দফতরে ঢুকে আলমারি ও টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে কাগজপত্র এবং মালামাল তছনছ করেছে। লুটে নিয়েছে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা। 

বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন ও থানার ওসি এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ ক্ষতিগ্রস্ত অফিস পরিদর্শন করেছেন। 

উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন গভীর রাতে চোরচক্র প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস ও পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন অফিসের দরজার কয়ড়া খুলে ভেতরে ঢুকে প্রত্যেক অফিসের আলমারি ও টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে ফেলে। শেষে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দরজা ভাঙার চেষ্টা করলে ওই অফিসের নৈশপ্রহরী টের পাওয়ায় চোরেরা পালিয়ে যায়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চারটি আলমারি ভেঙে কাগজপত্র তছনছ করেছে। উচ্চমান সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটরের আলমারি থেকে তাদের বেতনের ৪০ হাজার এবং শিক্ষা অফিসারের আলমারি থেকে দেড় হাজারসহ মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে গেছে চোরেরা। 

উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. আবু রায়হান জানান, রাত প্রায় ৩টার দিকে তার অফিসের দরজা ভাঙার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তাদের নাইটগার্ড টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে দুই চোর দৌড়ে পালিয়ে যায়। তার অফিসে পাঁচ হাজারেরও বেশি দলিল ও মূল্যবান কাগজপত্র রয়েছে। চোরেরা অফিসে ঢুকতে পারলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেত। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রত্যেকটি অফিসের নিজস্ব সিকিউরিটি বাড়ানোসহ দ্রুত অফিস ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। আপাতত গ্রাম পুলিশ এনে রাতে অতিরিক্ত পাহারার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

শরণখোলা থানার ওসি এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, চুরি হওয়া অফিসগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। চোরদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন