কলমাকান্দায় বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দিল নাদিয়া
jugantor
কলমাকান্দায় বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দিল নাদিয়া

  কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:৫৪:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বাবার লাশ বাড়িতে রেখেই পরীক্ষা দিতে গেল নাদিয়া সুলতানা নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী।

এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের চৈতা গ্রামে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে বাবা মো. আবদুল কাদির মারা যাওয়ার পর সহপাঠী ও তার মামা আব্দুল মতিনের সহযোগিতায় ওই ছাত্রী কলমাকান্দা পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়।

স্কুলজীবনের প্রতিটি পরীক্ষাতেই বাবার হাত ধরে যেত নাদিয়া, কিন্তু বিধির অমোঘ বিধানে বাবার লাশ বাড়িতে রেখেই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হল নাদিয়াকে। পরীক্ষার হলে গিয়ে ছাত্রীটি বাম হাতে চোখ মুছে আর ডান হাতে কলম ধরে। এভাবেই বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে নাদিয়াকে।

পরীক্ষা শেষে নাদিয়া বাড়িতে গিয়ে বাবাকে শেষ বারের মতো দেখে চোখের জলে চিরবিদায় জানায় সে। পরে জানাজা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রংছাতি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, নাদিয়া সুলতানা আমাদের বিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার ভোরে তার বাবা মো. আব্দুল কাদির মারা যান। তিনি পেশায় ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তিনি তার মেয়ে নাদিয়াকে নিয়ে প্রায় সময়ই বিদ্যালয়ে আসতেন। তাছাড়া প্রতিটি পরীক্ষাতেই নাদিয়া তার বাবার হাত ধরে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করত।

কলমাকান্দায় বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দিল নাদিয়া

 কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বাবার লাশ বাড়িতে রেখেই পরীক্ষা দিতে গেল নাদিয়া সুলতানা নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী।

এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের চৈতা গ্রামে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে বাবা মো. আবদুল কাদির মারা যাওয়ার পর সহপাঠী ও তার মামা আব্দুল মতিনের সহযোগিতায় ওই ছাত্রী কলমাকান্দা পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়।

স্কুলজীবনের প্রতিটি পরীক্ষাতেই বাবার হাত ধরে যেত নাদিয়া, কিন্তু বিধির অমোঘ বিধানে বাবার লাশ বাড়িতে রেখেই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হল নাদিয়াকে। পরীক্ষার হলে গিয়ে ছাত্রীটি বাম হাতে চোখ মুছে আর ডান হাতে কলম ধরে। এভাবেই বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে নাদিয়াকে।

পরীক্ষা শেষে নাদিয়া বাড়িতে গিয়ে বাবাকে শেষ বারের মতো দেখে চোখের জলে চিরবিদায় জানায় সে। পরে জানাজা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রংছাতি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, নাদিয়া সুলতানা আমাদের বিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার ভোরে তার বাবা মো. আব্দুল কাদির মারা যান। তিনি পেশায় ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তিনি তার মেয়ে নাদিয়াকে নিয়ে প্রায় সময়ই বিদ্যালয়ে আসতেন। তাছাড়া প্রতিটি পরীক্ষাতেই নাদিয়া তার বাবার হাত ধরে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : এসএসসি পরীক্ষা-২০২০

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন