ইতিহাসের অংশ হতে পেরে খুশি শাহীন আলম
jugantor
ইতিহাসের অংশ হতে পেরে খুশি শাহীন আলম

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:১২:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ইতিহাসের অংশ হতে পেরে খুশি শাহীন আলম

কুড়িগ্রামের শাহীন আলম অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ জয় করে সবাইকে চমকে দিয়েছে। ইতিহাসের সাক্ষী হতে নিজেকে ধন্য মনে করছেন বিশ্বকাপ জয়ী দলের এ সদস্য।

বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য শাহীন আলমের বাড়িতে এখন আগ্রহী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। প্রতিদিন তার বাড়িতে লোকজন এসে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।

শাহীন আলম মোবাইলে যুগান্তরকে বলেন, আমি ভীষণ খুশি যুব বিশ্বকাপের স্বপ্নের দলের একজন সদস্য হতে পেরে। তবে আরও খুশি হতাম যদি ম্যাচ খেলতে পারতাম। তারপরও দলের একজন সদস্য হতে পেরে ইতিহাসের অংশ হয়েছি এতেই আমি খুশি।

জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের যমুনা পাইকপাড়া গ্রামের দিনমজুর শাহাদত হোসেনের পুত্র শাহীন আলম।

তিন ভাই-বোনের মধ্যে শাহীন আলম ছোট। তার দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। মা সাতিনা বেগম একজন গৃহিণী। মাত্র দুই শতক জমির ওপর তাদের বাড়ি। এ ছাড়া আর কিছুই নেই।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কুড়িগ্রাম জেলার সহকারী কোচ বিজন কুমার দাস জানান, শাহীন আলমের উত্থান ২০১৬ সালে। এ সময় জেলা অনূর্ধ্ব-১৬ টিমের জন্য তাকে প্রথম নির্বাচন করা হয়। এর আগে সে গ্রামে-গঞ্জে টেপ-টেনিস দিয়ে খেলাধুলা করত।

স্থানীয় কুড়িগ্রাম ক্রিকেট একাডেমির কোচ মনোজ কুমার দাস ময়না ক্রিকেটে তাকে প্রথম হাতেখড়ি দেয়। এরপর ২০১৭ সালে বিকেএসপির হান্টিং দলের ক্রিকেট কোচ রুশো তাকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেয়। সেখান থেকেই তার উত্থান।

দীর্ঘদেহীর কারণে স্ট্রাইক বোলার হিসেবে সে শ্রীলংকা ও নিউজল্যান্ডে জাতীয় দলের বয়সভিত্তিক গ্রুপের হয়ে সফর করে। সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেয়।

শাহীন আলমের দিনমজুর বাবা শাহাদত হোসেন ও মা সাতিনা বেগম ছেলের এই সাফল্য সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণাই পাননি। তারা জানান, সেদিনের খেলাটি তারা দেখেছেন। ছেলের সাফল্যে তারা খুশি। অভাবের কারণে ছেলেকে তেমন একটা সহযোগিতা করতে পারেননি বলে তারা দুঃখ প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাঈদ হাসান লোবান জানান, ছেলেটি অভাবের কারণে গ্রামের বাড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার পথ সাইকেলে পাড়ি দিয়ে কুড়িগ্রাম স্টেডিয়ামে এসে প্রাকটিস করত। তাকে সবাই সহযোগিতা করেছে। তার যুব বিশ্বকাপ জয়ে কুড়িগ্রামবাসী ভীষণ গর্বিত।

ইতিহাসের অংশ হতে পেরে খুশি শাহীন আলম

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইতিহাসের অংশ হতে পেরে খুশি শাহীন আলম
ইতিহাসের অংশ হতে পেরে খুশি শাহীন আলম

কুড়িগ্রামের শাহীন আলম অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ জয় করে সবাইকে চমকে দিয়েছে। ইতিহাসের সাক্ষী হতে নিজেকে ধন্য মনে করছেন বিশ্বকাপ জয়ী দলের এ সদস্য।

বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য শাহীন আলমের বাড়িতে এখন আগ্রহী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। প্রতিদিন তার বাড়িতে লোকজন এসে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।

শাহীন আলম মোবাইলে যুগান্তরকে বলেন, আমি ভীষণ খুশি যুব বিশ্বকাপের স্বপ্নের দলের একজন সদস্য হতে পেরে। তবে আরও খুশি হতাম যদি ম্যাচ খেলতে পারতাম। তারপরও দলের একজন সদস্য হতে পেরে ইতিহাসের অংশ হয়েছি এতেই আমি খুশি।

জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের যমুনা পাইকপাড়া গ্রামের দিনমজুর শাহাদত হোসেনের পুত্র শাহীন আলম।

তিন ভাই-বোনের মধ্যে শাহীন আলম ছোট। তার দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। মা সাতিনা বেগম একজন গৃহিণী। মাত্র দুই শতক জমির ওপর তাদের বাড়ি। এ ছাড়া আর কিছুই নেই।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কুড়িগ্রাম জেলার সহকারী কোচ বিজন কুমার দাস জানান, শাহীন আলমের উত্থান ২০১৬ সালে। এ সময় জেলা অনূর্ধ্ব-১৬ টিমের জন্য তাকে প্রথম নির্বাচন করা হয়। এর আগে সে গ্রামে-গঞ্জে টেপ-টেনিস দিয়ে খেলাধুলা করত।

স্থানীয় কুড়িগ্রাম ক্রিকেট একাডেমির কোচ মনোজ কুমার দাস ময়না ক্রিকেটে তাকে প্রথম হাতেখড়ি দেয়। এরপর ২০১৭ সালে বিকেএসপির হান্টিং দলের ক্রিকেট কোচ রুশো তাকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেয়। সেখান থেকেই তার উত্থান।

দীর্ঘদেহীর কারণে স্ট্রাইক বোলার হিসেবে সে শ্রীলংকা ও নিউজল্যান্ডে জাতীয় দলের বয়সভিত্তিক গ্রুপের হয়ে সফর করে। সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেয়।

শাহীন আলমের দিনমজুর বাবা শাহাদত হোসেন ও মা সাতিনা বেগম ছেলের এই সাফল্য সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণাই পাননি। তারা জানান, সেদিনের খেলাটি তারা দেখেছেন। ছেলের সাফল্যে তারা খুশি। অভাবের কারণে ছেলেকে তেমন একটা সহযোগিতা করতে পারেননি বলে তারা দুঃখ প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাঈদ হাসান লোবান জানান, ছেলেটি অভাবের কারণে গ্রামের বাড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার পথ সাইকেলে পাড়ি দিয়ে কুড়িগ্রাম স্টেডিয়ামে এসে প্রাকটিস করত। তাকে সবাই সহযোগিতা করেছে। তার যুব বিশ্বকাপ জয়ে কুড়িগ্রামবাসী ভীষণ গর্বিত।

 

ঘটনাপ্রবাহ : অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২০

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন