লালমনিরহাটের ফজিলা ফিরে পেল স্বজনদের, এখনও নিখোঁজ ছেলে
jugantor
লালমনিরহাটের ফজিলা ফিরে পেল স্বজনদের, এখনও নিখোঁজ ছেলে

  রংপুর ব্যুরো  

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:৫২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পরিবারের সঙ্গে ফজিলা

মানসিক ভারসাম্যহীন মধ্যবয়সী ফজিলা বেগম হারিয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর বাবা-মাকে ফিরে পেয়েছে। কিন্তু তার সন্তান সোহেলের এখনও কোনো সন্ধান মেলেনি।

হারিয়ে যাওয়ার সময় সোহেল তার কোলে ছিল। তখন সোহেলের বয়স ছিল চার বছর। মঙ্গলবার রংপুরের বদরগঞ্জের হাসিনা নগরের গ্লোরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ফজিলাকে তার বাবা-মায়ের হাতে হস্তান্তর করে।

ফজিলার স্বজন ও সংস্থা সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার মৌজা শাখাতী গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে ফজিলা। ১৯৯৮ সালের দিকে ওই জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার কিসমত ধওলাই গ্রামের আব্দুল আজিজের সঙ্গে বিবাহ হয়।

এরপর ফজিলার কোলে প্রথম সন্তান আসে। এর কয়েক বছর পর ফজিলা যখন তৃতীয় সন্তানের মা হন, তখন সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এমন অবস্থায় কেটে যায় আরও কয়েক বছর। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের দিকে ফজিলা তার তৃতীয় সন্তান চার বছর বয়সী সোহেলকে কোলে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ির উদ্দেশে বের হন। এরপর পথ ভুল করে হারিয়ে যান। সেই সঙ্গে কোলের সন্তান সোহেলকেও হারিয়ে ফেলেন।

গ্লোরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মারুফ কেইন বলেন, ফজিলাকে তারা পেয়েছেন ২০১৮ সালের আগস্ট মাসের শুরুর দিকে। বদরগঞ্জ থানা থেকে তার সংস্থায় ফজিলাকে দেয়া হয়।

বদরগঞ্জ থানা ফজিলাকে পেয়েছিল উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের মুনশীরহাট এলাকায় রাতের বেলা। ফজিলা কীভাবে এখানে এসেছে, কোথায় ছিল তা জানা যায়নি।

জানা গেছে, গ্লোরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সেবায় ফজিলা মানসিক ভারসাম্য কিছুটা ফিরে পায়। এরপর তার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কথা বলে পরিচয় জানার চেষ্টা করে অস্পষ্ট ঠিকানা পাওয়া যায়। ওই ঠিকানা অনুযায়ী সংস্থার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ফজিলার স্বজনদের পাওয়া যায়।

মঙ্গলবার দুপুরে তার বাবা ফজলুল হক ও বড় ছেলে ফরিদুল তাকে নিতে আসে। কিন্তু ফজিলা হারিয়ে যাওয়ার সময় তার কোলের সন্তান সোহেল এখনও নিখোঁজ।

ফজিলার বড় ছেলে ফরিদুল (২০) বলেন, মাকে ফিরে পেয়ে অসম্ভব খুশি হয়েছি। কিন্তু আমার ছোট ভাই এখনও নিখোঁজ।

লালমনিরহাটের ফজিলা ফিরে পেল স্বজনদের, এখনও নিখোঁজ ছেলে

 রংপুর ব্যুরো 
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পরিবারের সঙ্গে ফজিলা
পরিবারের সঙ্গে ফজিলা। ছবি: যুগান্তর

মানসিক ভারসাম্যহীন মধ্যবয়সী ফজিলা বেগম হারিয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর বাবা-মাকে ফিরে পেয়েছে। কিন্তু তার সন্তান সোহেলের এখনও কোনো সন্ধান মেলেনি।

হারিয়ে যাওয়ার সময় সোহেল তার কোলে ছিল। তখন সোহেলের বয়স ছিল চার বছর। মঙ্গলবার রংপুরের বদরগঞ্জের হাসিনা নগরের গ্লোরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ফজিলাকে তার বাবা-মায়ের হাতে হস্তান্তর করে।

ফজিলার স্বজন ও সংস্থা সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার মৌজা শাখাতী গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে ফজিলা। ১৯৯৮ সালের দিকে ওই জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার কিসমত ধওলাই গ্রামের আব্দুল আজিজের সঙ্গে বিবাহ হয়।

এরপর ফজিলার কোলে প্রথম সন্তান আসে। এর কয়েক বছর পর ফজিলা যখন তৃতীয় সন্তানের মা হন, তখন সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এমন অবস্থায় কেটে যায় আরও কয়েক বছর। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের দিকে ফজিলা তার তৃতীয় সন্তান চার বছর বয়সী সোহেলকে কোলে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ির উদ্দেশে বের হন। এরপর পথ ভুল করে হারিয়ে যান। সেই সঙ্গে কোলের সন্তান সোহেলকেও হারিয়ে ফেলেন।

গ্লোরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মারুফ কেইন বলেন, ফজিলাকে তারা পেয়েছেন ২০১৮ সালের আগস্ট মাসের শুরুর দিকে। বদরগঞ্জ থানা থেকে তার সংস্থায় ফজিলাকে দেয়া হয়।

বদরগঞ্জ থানা ফজিলাকে পেয়েছিল উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের মুনশীরহাট এলাকায় রাতের বেলা। ফজিলা কীভাবে এখানে এসেছে, কোথায় ছিল তা জানা যায়নি।

জানা গেছে, গ্লোরী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সেবায় ফজিলা মানসিক ভারসাম্য কিছুটা ফিরে পায়। এরপর তার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কথা বলে পরিচয় জানার চেষ্টা করে অস্পষ্ট ঠিকানা পাওয়া যায়। ওই ঠিকানা অনুযায়ী সংস্থার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ফজিলার স্বজনদের পাওয়া যায়।

মঙ্গলবার দুপুরে তার বাবা ফজলুল হক ও বড় ছেলে ফরিদুল তাকে নিতে আসে। কিন্তু ফজিলা হারিয়ে যাওয়ার সময় তার কোলের সন্তান সোহেল এখনও নিখোঁজ।

ফজিলার বড় ছেলে ফরিদুল (২০) বলেন, মাকে ফিরে পেয়ে অসম্ভব খুশি হয়েছি। কিন্তু আমার ছোট ভাই এখনও নিখোঁজ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন