সাভারে ফুট ওভারব্রিজে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র দগ্ধ!
jugantor
সাভারে ফুট ওভারব্রিজে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র দগ্ধ!

  সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:২৯:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

সাভারে ফুট ওভারব্রিজে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সাভারের আশুলিয়ায় ফুটওভার ব্রিজে এক স্কুলছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হওয়ার প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়ায় অঞ্জনা মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা সহপাঠীর দুর্ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, গত রোববার সন্ধ্যায় ইমন হোসেন নামে তাদের স্কুলের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে মহাসড়ক পারাপারের সময় বিদ্যুতের তারের সঙ্গে স্পর্শে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হন। ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও পাশের বিদ্যুতের খুঁটি না সরিয়েই তা জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বিদ্যুৎ বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাই সংশ্লিষ্ট বিভাগের জড়িত কর্মকর্তাদের এ ঘটনায় বিচার দাবি করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা জানান, ফুটওভার ব্রিজের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই তারা দুই পাশের সিঁড়ি খুলে রেখেছে। আবার পূর্ব পাশের দিকে বিদ্যুতের লাইন থাকায় সেখানে কাজও করেনি। এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই চলে গেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

এদিকে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির কারণে মহাসড়কের উভয়পাশে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নিলে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।

আহত শিক্ষার্থী ইমন আশুলিয়ার বারইপাড়া এলাকার পশ্চিম পাড়া গ্রামের গফুর হোসেনের ছেলে। তিনি অঞ্জনা মডেল হাই স্কুল নামে একটি বিদ্যালয় থেকে এবছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

ঘটনার গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চিকিৎসার জন্য গাজীপুরের শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বিশেষায়িত হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ইমনের বাবা গফুর বলেন, রোববার সন্ধ্যায় জুনায়েদ বারইপাড়ার পশ্চিমপাড়া মহল্লা থেকে পূর্বপাড়া যাচ্ছিলো। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের উপর নির্মাণাধীন একটি ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে পার হতে গেলে বিদ্যুতের তারের সঙ্গে স্পর্শ লেগে গুরুত্বর আহত হয়। চিকিৎসকরা আমাকে জানিয়েছেন ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। আমার ছেলের এ অবস্থার জন্য দায়ীদের বিচার চাই আমি।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এএসআই পবিত্র কুমার মালাকার বলেন, সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে অবরোধকারীদের সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

সাভারে ফুট ওভারব্রিজে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র দগ্ধ!

 সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাভারে ফুট ওভারব্রিজে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সাভারে ফুট ওভারব্রিজে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সাভারের আশুলিয়ায় ফুটওভার ব্রিজে এক স্কুলছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হওয়ার প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়ায় অঞ্জনা মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা সহপাঠীর দুর্ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, গত রোববার সন্ধ্যায় ইমন হোসেন নামে তাদের স্কুলের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে মহাসড়ক পারাপারের সময় বিদ্যুতের তারের সঙ্গে স্পর্শে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হন। ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও পাশের বিদ্যুতের খুঁটি না সরিয়েই তা জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বিদ্যুৎ বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাই সংশ্লিষ্ট বিভাগের জড়িত কর্মকর্তাদের এ ঘটনায় বিচার দাবি করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা জানান, ফুটওভার ব্রিজের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই তারা দুই পাশের সিঁড়ি খুলে রেখেছে। আবার পূর্ব পাশের দিকে বিদ্যুতের লাইন থাকায় সেখানে কাজও করেনি। এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই চলে গেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

এদিকে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির কারণে মহাসড়কের উভয়পাশে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নিলে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।

আহত শিক্ষার্থী ইমন আশুলিয়ার বারইপাড়া এলাকার পশ্চিম পাড়া গ্রামের গফুর হোসেনের ছেলে। তিনি অঞ্জনা মডেল হাই স্কুল নামে একটি বিদ্যালয় থেকে এবছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

ঘটনার গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চিকিৎসার জন্য গাজীপুরের শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বিশেষায়িত হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ইমনের বাবা গফুর বলেন, রোববার সন্ধ্যায় জুনায়েদ বারইপাড়ার পশ্চিমপাড়া মহল্লা থেকে পূর্বপাড়া যাচ্ছিলো। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের উপর নির্মাণাধীন একটি ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে পার হতে গেলে বিদ্যুতের তারের সঙ্গে স্পর্শ লেগে গুরুত্বর আহত হয়। চিকিৎসকরা আমাকে জানিয়েছেন ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। আমার ছেলের এ অবস্থার জন্য দায়ীদের বিচার চাই আমি।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এএসআই পবিত্র কুমার মালাকার বলেন, সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে অবরোধকারীদের সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন