মানুষের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
jugantor
মানুষের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

  গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:৪৬:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

লন্ডনী খালের ওপর নির্মিত ব্রিজ পরিদর্শনে যান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের উন্নয়নে মানুষের কল্যাণের জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি যে বরাদ্দ দেন, সেগুলো যেন সঠিকভাবে প্রয়োগ হয় এবং প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হয় সেটা আপনাদের সবার দায়িত্ব ও আপনারা সেগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে লন্ডনী খালের ওপর নির্মিত ব্রিজ পরিদর্শনে গিয়ে মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্রিজটা হয়ে গেল। রাস্তাও অনেকটা হয়ে গেছে। বর্ষাকালে মৌসুমের আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।

দৈনিক যুগান্তরে ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘সেতু আছে, সংযোগ সড়ক নেই’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনসহ একাধিক পত্রিকায় খবরটি প্রকাশ হওয়ায় প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনে আসেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এত উন্নয়ন করছেন আর সেখানে একটি সংযোগ সড়কের অভাবে এই এলাকার মানুষ কষ্ট করবে, তা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। তাই প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমি এখানে এসেছি। ইতিমধ্যেই অনেকাংশ রাস্তার কাজ হয়েছে। বাকি কাজটুকু অতি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যাবে। আসাটা সফল হয়েছে, জনমানুষের আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। সে জন্য এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওকে ধন্যবাদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুরের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মহসীন, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান, সহকারী একান্ত সচিব ডা. শামীম আহাম্মেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন খান, ইউএনও সেঁজুতি ধর, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান সোহেল রানা, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান সালমা আক্তার রুবী, গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম মিন্টু, অচিন্তপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম অন্তর, বোকাইনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হাবিব উল্লাহ, ইউপি মেম্বার এখলাছ উদ্দিন নয়ন ও আজমল হোসেন।

এ দিকে প্রতিমন্ত্রী আসার সংবাদে সোমবার গভীররাত থেকে শুরু হয় সেতু এলাকায় মাটি ভরাট কার্যক্রম। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন খান দিন-রাত সেখানে উপস্থিত থেকে সেই সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. সোহেল রানা পাপ্পু, ইউপি সদস্য এখলাছ উদ্দিন নয়ন ও আজমল হোসেন ছিলেন রাতভর সেই ব্রিজের মাটিভরাটে।

জানা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের অর্থায়নে ২নং গৌরীপুর ইউনিয়নের বায়রাউড়া গ্রামে লন্ডনী খালের ওপর নির্মিত হয় ৩২ ফুট দৈর্ঘ্য পাকা এই সেতু। ২৪ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯৫ টাকা নির্মাণ ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নান্দাইলের মেসার্স নিলয় এন্টারপ্রাইজ।

প্রায় এক বছর আগেই সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সেতু পার হতে দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সেতুটি পানিবেষ্টিত হয়ে পড়ে ছিল। ফলে বায়রাউড়া, পাছারকান্দা, কোনাপাড়া, দারিয়াপুর, অচিন্তপুর বীরপুর গ্রামের বাসিন্দারা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হতো।

মানুষের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

 গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লন্ডনী খালের ওপর নির্মিত ব্রিজ পরিদর্শনে যান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান
লন্ডনী খালের ওপর নির্মিত ব্রিজ পরিদর্শনে যান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের উন্নয়নে মানুষের কল্যাণের জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি যে বরাদ্দ দেন, সেগুলো যেন সঠিকভাবে প্রয়োগ হয় এবং প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হয় সেটা আপনাদের সবার দায়িত্ব ও আপনারা সেগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে লন্ডনী খালের ওপর নির্মিত ব্রিজ পরিদর্শনে গিয়ে মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্রিজটা হয়ে গেল। রাস্তাও অনেকটা হয়ে গেছে। বর্ষাকালে মৌসুমের আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।

দৈনিক যুগান্তরে ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘সেতু আছে, সংযোগ সড়ক  নেই’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনসহ একাধিক পত্রিকায় খবরটি প্রকাশ হওয়ায় প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনে আসেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এত উন্নয়ন করছেন আর সেখানে একটি সংযোগ সড়কের অভাবে এই এলাকার মানুষ কষ্ট করবে, তা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। তাই প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমি এখানে এসেছি। ইতিমধ্যেই অনেকাংশ রাস্তার কাজ হয়েছে। বাকি কাজটুকু অতি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যাবে। আসাটা সফল হয়েছে, জনমানুষের আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। সে জন্য এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওকে ধন্যবাদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুরের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মহসীন, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান, সহকারী একান্ত সচিব ডা. শামীম আহাম্মেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন খান, ইউএনও সেঁজুতি ধর, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান সোহেল রানা, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান সালমা আক্তার রুবী, গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম মিন্টু, অচিন্তপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম অন্তর, বোকাইনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হাবিব উল্লাহ, ইউপি মেম্বার এখলাছ উদ্দিন নয়ন ও আজমল হোসেন।

এ দিকে প্রতিমন্ত্রী আসার সংবাদে সোমবার গভীররাত থেকে শুরু হয় সেতু এলাকায় মাটি ভরাট কার্যক্রম। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন খান দিন-রাত সেখানে উপস্থিত থেকে সেই সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. সোহেল রানা পাপ্পু, ইউপি সদস্য এখলাছ উদ্দিন নয়ন ও আজমল হোসেন ছিলেন রাতভর সেই ব্রিজের মাটিভরাটে।

জানা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের অর্থায়নে ২নং গৌরীপুর ইউনিয়নের বায়রাউড়া গ্রামে লন্ডনী খালের ওপর নির্মিত হয় ৩২ ফুট  দৈর্ঘ্য পাকা এই সেতু। ২৪ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯৫ টাকা নির্মাণ ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নান্দাইলের মেসার্স নিলয় এন্টারপ্রাইজ।

প্রায় এক বছর আগেই সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সেতু পার হতে দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সেতুটি পানিবেষ্টিত হয়ে পড়ে ছিল। ফলে বায়রাউড়া, পাছারকান্দা, কোনাপাড়া, দারিয়াপুর, অচিন্তপুর বীরপুর গ্রামের বাসিন্দারা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হতো।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন