ময়মনসিংহে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড
jugantor
ময়মনসিংহে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড

  ময়মনসিংহ ব্যুরো  

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:১৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কবর পাকা-করণ নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মজমপুর গ্রামের ভাতিজা মাহমুদ হাসান মঈন শাহকে হত্যার অভিযোগে চাচা নূরে আলমকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের জেলা দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিবরণে জানান গেছে, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মজমপুর গ্রামের মৃত সিরাজুল হকের ছেলে মাহবুব আলমের সঙ্গে ১৭ বছর আগে পারভীন আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের মাহমুদ হাসান মঈন শাহ নামে এক সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে মাহবুব আলম টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবার পর তার ছোট ভাই আশরাফুল আলমের সঙ্গে পারভীনের বিয়ে হয়। তাদের ঘরেও এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

আশরাফুলের ছোট ভাই নুরে আলম এক যুগ আগে বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর বছর পাঁচেক আগে বাড়ি ফিরে আসে। ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর সকালে বাপ-দাদার কবর পাকা-করণ নিয়ে ভাতিজা মাহমুদ হাসান মঈন শাহের সঙ্গে চাচা নুরে আলমের বাকবিতণ্ডা হয়।

এরপর মাহমুদ হাসান মঈন শাহ তার বাবা আশরাফুল আলমকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কের গাজীপুরে বাসে তুলে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সদর উপজেলার মজমপুর নামক স্থানে পৌঁছলে চাচা নুরে আলম তাকে ডেকে বুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মঈন শাহ মারা যায়। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ নুরে আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করে।

ময়মনসিংহে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড

 ময়মনসিংহ ব্যুরো 
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কবর পাকা-করণ নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মজমপুর গ্রামের ভাতিজা মাহমুদ হাসান মঈন শাহকে হত্যার অভিযোগে চাচা নূরে আলমকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের জেলা দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিবরণে জানান গেছে, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মজমপুর গ্রামের মৃত সিরাজুল হকের ছেলে মাহবুব আলমের সঙ্গে ১৭ বছর আগে পারভীন আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের মাহমুদ হাসান মঈন শাহ নামে এক সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে মাহবুব আলম টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবার পর তার ছোট ভাই আশরাফুল আলমের সঙ্গে পারভীনের বিয়ে হয়। তাদের ঘরেও এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

আশরাফুলের ছোট ভাই নুরে আলম এক যুগ আগে বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর বছর পাঁচেক আগে বাড়ি ফিরে আসে। ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর সকালে বাপ-দাদার কবর পাকা-করণ নিয়ে ভাতিজা মাহমুদ হাসান মঈন শাহের সঙ্গে চাচা নুরে আলমের বাকবিতণ্ডা হয়।

এরপর মাহমুদ হাসান মঈন শাহ তার বাবা আশরাফুল আলমকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কের গাজীপুরে বাসে তুলে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সদর উপজেলার মজমপুর নামক স্থানে পৌঁছলে চাচা নুরে আলম তাকে ডেকে বুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মঈন শাহ মারা যায়। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ নুরে আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন