রিফাত হত্যায় আরও ৪ সাক্ষীর জেরা, রক্তমাখা শার্ট শনাক্ত
jugantor
রিফাত হত্যায় আরও ৪ সাক্ষীর জেরা, রক্তমাখা শার্ট শনাক্ত

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা  

০৪ মার্চ ২০২০, ২০:২৭:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আরও ৪ জন সাক্ষীর জেরা সমাপ্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত আদালতে ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বুধবার সকাল ১০টায় বরগুনার শিশু ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন কনস্টেবল নাজমুল হাচান, হাবিবুর রহমান, নেফয়েজ ও এসআই সাইদুল ইসলাম।

হাজতের ৭ ও জামিনে থাকা ৭ আসামিসহ মোট ১৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

নিহত রিফাত শরীফের রক্তমাখা শার্ট আদালতে শনাক্ত করে একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার পর বরিশাল মডেল থানার এসআই সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমি ২৬ জুন বিকালে বরিশাল মডেল থানায় ডিউটিরত ছিলাম। বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন লোক মারা গেছে। এমন সংবাদ শুনে আমি সেখানে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর জানতে পারি রিফাত শরীফ নামে একজন নিহত হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই দিন সন্ধ্যায় নিহত রিফাত শরীফের লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করি। তখন দেখতে পাই রিফাত শরীফের শরীর ক্ষতবিক্ষত। হাতে, মাথায়, ঘাড়ে ও বুকে বড় বড় কোপ।

ওই পুলিশ অফিসার আরও বলেন, আমি যখন লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করি তখন রিফাত শরীফের পরনে একটি রক্তমাখা জিন্সের প্যান্ট ছিল। তাও আদালতে শনাক্ত করেছি।

তাকে জেরা করেন, রিশান ফরাজির আইনজীবী সোহরাফ হোসেন মামুন।

সাক্ষী নেফয়েজ বলেন, ঘটনার পরের দিন ২৭ জুন আমি তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে ঘটনাস্থল যাই। সেখান থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তা রক্তমাখা পিচ জব্দ করেন। পরে নিহত রিফাত শরীফের গায়ে রক্তমাখা একটি শার্টও জব্দ করেন। আমি সেই জব্দ তালিকায় স্বাক্ষর করেছি।

রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিশু আদালতে এ পর্যন্ত ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীরা যখন সাক্ষ্য দেয় তখন ১৪ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

প্রসঙ্গত, বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় ২৬ জুন সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। বিকাল ৪টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়। রিফাত হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার এবং রিমান্ডে গিয়ে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর থেকে মামলা ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

১৬ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশলাইনসে নিয়ে যায় পুলিশ। এর পর দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় মিন্নিকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

রিফাত হত্যায় আরও ৪ সাক্ষীর জেরা, রক্তমাখা শার্ট শনাক্ত

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা 
০৪ মার্চ ২০২০, ০৮:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আরও ৪ জন সাক্ষীর জেরা সমাপ্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত আদালতে ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বুধবার সকাল ১০টায় বরগুনার শিশু ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন কনস্টেবল নাজমুল হাচান, হাবিবুর রহমান, নেফয়েজ ও এসআই সাইদুল ইসলাম।

হাজতের ৭ ও জামিনে থাকা ৭ আসামিসহ মোট ১৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

নিহত রিফাত শরীফের রক্তমাখা শার্ট আদালতে শনাক্ত করে একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার পর বরিশাল মডেল থানার এসআই সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমি ২৬ জুন বিকালে বরিশাল মডেল থানায় ডিউটিরত ছিলাম। বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন লোক মারা গেছে। এমন সংবাদ শুনে আমি সেখানে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর জানতে পারি রিফাত শরীফ নামে একজন নিহত হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই দিন সন্ধ্যায় নিহত রিফাত শরীফের লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করি। তখন দেখতে পাই রিফাত শরীফের শরীর ক্ষতবিক্ষত। হাতে, মাথায়, ঘাড়ে ও বুকে বড় বড় কোপ।

ওই পুলিশ অফিসার আরও বলেন, আমি যখন লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করি তখন রিফাত শরীফের পরনে একটি রক্তমাখা জিন্সের প্যান্ট ছিল। তাও আদালতে শনাক্ত করেছি।

তাকে জেরা করেন, রিশান ফরাজির আইনজীবী সোহরাফ হোসেন মামুন।

সাক্ষী নেফয়েজ বলেন, ঘটনার পরের দিন ২৭ জুন আমি তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে ঘটনাস্থল যাই। সেখান থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তা রক্তমাখা পিচ জব্দ করেন। পরে নিহত রিফাত শরীফের গায়ে রক্তমাখা একটি শার্টও জব্দ করেন। আমি সেই জব্দ তালিকায় স্বাক্ষর করেছি।

রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিশু আদালতে এ পর্যন্ত ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীরা যখন সাক্ষ্য দেয় তখন ১৪ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

প্রসঙ্গত, বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় ২৬ জুন সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। বিকাল ৪টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়। রিফাত হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার এবং রিমান্ডে গিয়ে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর থেকে মামলা ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

১৬ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশলাইনসে নিয়ে যায় পুলিশ। এর পর দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় মিন্নিকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রিফাতকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন