রংপুরে আতশবাজির আগুনে পুড়ল গোডাউন-বাড়ি
jugantor
রংপুরে আতশবাজির আগুনে পুড়ল গোডাউন-বাড়ি

  রংপুর ব্যুরো  

১৭ মার্চ ২০২০, ২৩:৩১:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরে আতশবাজির আগুনে পুড়ল গোডাউন-বাড়ি
রংপুরে আতশবাজির আগুনে পুড়ল গোডাউন-বাড়ি

রংপুর নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা বেতপট্টি মোড়ে আতশবাজি থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১০টায় এ খবর লেখা পর্যন্ত ফায়ার বিগ্রেডের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, আনছার ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাত সাড়ে ৮টায় একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে আতশবাজির ঘটনায় ওই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

ওই সূত্র জানায়, আতশবাজিতে আগুন ধরিয়ে দিলে তা উড়ে এসে ওই দাহ্য পদার্থের গোডাউন ঘরে পড়লে সেখানে শুরুতেই কাঁচ বিতানের মালিক মানিক বণিকের গুদাম ঘরে আগুন লাগে। এর পর এই আগুন আরও চারটি দোকান ও তিনটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে রংপুর ফায়ার বিগ্রেড বিভাগীয় স্টেশনের ৮টি ইউনিট, হারাগাছ ফায়ার বিগ্রেড স্টেশনের ২টি ও গঙ্গাচড়ার ২টিসহ মোট ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ছুটে আসে।

দলীয় অফিসের সামনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে আতশবাজির সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম টুটুল বলেন, আমরা দলীয় অফিসের পাশের একটি ভবনের ছাদে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে আতশবাজি উৎসব করি। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আমরা পার্টি অফিসে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ফায়ার বিগ্রেডে খবর দেই এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করি।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল বলেন, আতশবাজির ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি সত্য নয়।

রংপুর ফায়ার বিগ্রেড বিভাগীয় স্টেশন মাস্টার কেএস সাইফুল আলম বলেন, ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই নিরূপণ করা সম্ভব নয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানার চেষ্টা করছি।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে আনছার ও র‌্যাব সদস্যরা এসে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে আগুন নেভাতে সহায়তা করে। এখন পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

রংপুরে আতশবাজির আগুনে পুড়ল গোডাউন-বাড়ি

 রংপুর ব্যুরো 
১৭ মার্চ ২০২০, ১১:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রংপুরে আতশবাজির আগুনে পুড়ল গোডাউন-বাড়ি
রংপুরে আতশবাজির আগুনে পুড়ল গোডাউন-বাড়ি

রংপুর নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা বেতপট্টি মোড়ে আতশবাজি থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১০টায় এ খবর লেখা পর্যন্ত ফায়ার বিগ্রেডের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, আনছার ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাত সাড়ে ৮টায় একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে আতশবাজির ঘটনায় ওই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

ওই সূত্র জানায়, আতশবাজিতে আগুন ধরিয়ে দিলে তা উড়ে এসে ওই দাহ্য পদার্থের গোডাউন ঘরে পড়লে সেখানে শুরুতেই কাঁচ বিতানের মালিক মানিক বণিকের গুদাম ঘরে আগুন লাগে। এর পর এই আগুন আরও চারটি দোকান ও তিনটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে রংপুর ফায়ার বিগ্রেড বিভাগীয় স্টেশনের ৮টি ইউনিট, হারাগাছ ফায়ার বিগ্রেড স্টেশনের ২টি ও গঙ্গাচড়ার ২টিসহ মোট ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ছুটে আসে।

দলীয় অফিসের সামনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে আতশবাজির সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম টুটুল বলেন, আমরা দলীয় অফিসের পাশের একটি ভবনের ছাদে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে আতশবাজি উৎসব করি। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আমরা পার্টি অফিসে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ফায়ার বিগ্রেডে খবর দেই এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করি।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল বলেন, আতশবাজির ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি সত্য নয়।

রংপুর ফায়ার বিগ্রেড বিভাগীয় স্টেশন মাস্টার কেএস সাইফুল আলম বলেন, ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই নিরূপণ করা সম্ভব নয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানার চেষ্টা করছি।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে আনছার ও র‌্যাব সদস্যরা এসে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে আগুন নেভাতে সহায়তা করে। এখন পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মুজিববর্ষ