সিলেটে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দোকানে হামলা
jugantor
সিলেটে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দোকানে হামলা

  সিলেট ব্যুরো  

১৮ মার্চ ২০২০, ২০:৫৫:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেট মহানগর যুবলীগ নেতা সলিট খান মুনের নেতৃত্বে নগরীর মহাজনপট্টিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে একজন জখম হয়েছেন।

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগের একদল নেতাকর্মী নিয়ে তিনি মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ‘দৈনিক সিলেট মিডিয়া’ অফিসে হামলা করেন বলে অভিযোগ করেছেন বদরুল ইসলাম বেলাল নামের এক ব্যবসায়ী।

হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় সলিট খান মুনকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সলিট খান মুন ছাড়া এজহারনামীয় অন্য আসামিরা হলেন কাশেম, নজরুল, জামাল ও রূপম। এর মধ্যে বুধবার ভোররাতে কাশেমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

দোকান মালিক শফিউল আলম জুয়েল জানান, গত কয়েকদিন আগে একব্যক্তি মহাজনপট্টিতে তাদের একটি দোকান গুদামের জন্য ভাড়া নেয়ার আলাপ-আলোচনা করেন। আগামী মাস থেকে তিনি গুদাম ভাড়া নেয়ার কথা। এর মধ্যে ওই ব্যক্তি গুদামে কিছু বোতলজাত কোমল পানীয় (স্পিড) এনে রাখেন। এর মধ্য থেকে এক কেস পানীয় খোয়া যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই ব্যবসায়ীর পক্ষ নিয়ে সলিট খান মুনসহ কয়েকজন এসে তার ভাই বদরুল ইসলাম বেলালকে গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দিয়ে যান। এ সময় মোটা অংকের চাঁদাও দাবি করেন তারা। বিষয়টি তারা কোতোয়ালি থানা পুলিশকে অবগত করেন।

এ সময় হামলাকারীরা মারধর করে বেলালকে রক্তাক্ত জখম করে বলে অভিযোগ করেন জুয়েল। রাতেই বেলালকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত বেলালের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা শেখ মনসুর বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। রাতেই অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।

এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা সলিট খান মুন বলেন, যুবলীগ নেতা নজরুল ব্যবসার জন্য বেলালের কাছ থেকে একটি গুদাম ভাড়া নিয়েছিলেন। এ জন্য তিনি ১ লাখ টাকা জামানতও প্রদান করেন। জামানত বাবদ আরও ১ লাখ টাকা দিয়ে চুক্তিনামা সম্পাদনের কথা ছিল। গত সোমবার নজরুল পিকআপে করে মালপত্র নিয়ে যান গুদামে। গিয়ে দেখেন গুদামের তালা পাল্টে ফেলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ সময় বেলালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গুদাম অন্যজনকে ভাড়া দিয়েছেন বলে জানান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বেলাল ও তার লোকজন পিকআপটি আটকে ফেলেন। মঙ্গলবার রাতে নজরুল ফের গুদামে গেলে তাকেও আটকে রাখেন বেলালের লোকজন। খবর পেয়ে যুবলীগের কিছু ছেলে সেখানে গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার সময় নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করেন সলিট খান মুন।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. সেলিম মিঞা জানান, হামলার ঘটনায় থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এর মধ্যে কাশেম নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সিলেটে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দোকানে হামলা

 সিলেট ব্যুরো 
১৮ মার্চ ২০২০, ০৮:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেট মহানগর যুবলীগ নেতা সলিট খান মুনের নেতৃত্বে নগরীর মহাজনপট্টিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে একজন জখম হয়েছেন।

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগের একদল নেতাকর্মী নিয়ে তিনি মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ‘দৈনিক সিলেট মিডিয়া’ অফিসে হামলা করেন বলে অভিযোগ করেছেন বদরুল ইসলাম বেলাল নামের এক ব্যবসায়ী।

হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় সলিট খান মুনকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সলিট খান মুন ছাড়া এজহারনামীয় অন্য আসামিরা হলেন কাশেম, নজরুল, জামাল ও রূপম। এর মধ্যে বুধবার ভোররাতে কাশেমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

দোকান মালিক শফিউল আলম জুয়েল জানান, গত কয়েকদিন আগে একব্যক্তি মহাজনপট্টিতে তাদের একটি দোকান গুদামের জন্য ভাড়া নেয়ার আলাপ-আলোচনা করেন। আগামী মাস থেকে তিনি গুদাম ভাড়া নেয়ার কথা। এর মধ্যে ওই ব্যক্তি গুদামে কিছু বোতলজাত কোমল পানীয় (স্পিড) এনে রাখেন। এর মধ্য থেকে এক কেস পানীয় খোয়া যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই ব্যবসায়ীর পক্ষ নিয়ে সলিট খান মুনসহ কয়েকজন এসে তার ভাই বদরুল ইসলাম বেলালকে গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দিয়ে যান। এ সময় মোটা অংকের চাঁদাও দাবি করেন তারা। বিষয়টি তারা কোতোয়ালি থানা পুলিশকে অবগত করেন।

এ সময় হামলাকারীরা মারধর করে বেলালকে রক্তাক্ত জখম করে বলে অভিযোগ করেন জুয়েল। রাতেই বেলালকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত বেলালের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা শেখ মনসুর বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। রাতেই অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।

এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা সলিট খান মুন বলেন, যুবলীগ নেতা নজরুল ব্যবসার জন্য বেলালের কাছ থেকে একটি গুদাম ভাড়া নিয়েছিলেন। এ জন্য তিনি ১ লাখ টাকা জামানতও প্রদান করেন। জামানত বাবদ আরও  ১ লাখ টাকা দিয়ে চুক্তিনামা সম্পাদনের কথা ছিল। গত সোমবার নজরুল পিকআপে করে মালপত্র নিয়ে যান গুদামে। গিয়ে দেখেন গুদামের তালা পাল্টে ফেলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ সময় বেলালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গুদাম অন্যজনকে ভাড়া দিয়েছেন বলে জানান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বেলাল ও তার লোকজন পিকআপটি আটকে ফেলেন। মঙ্গলবার রাতে নজরুল ফের গুদামে গেলে তাকেও আটকে রাখেন বেলালের লোকজন। খবর পেয়ে যুবলীগের কিছু ছেলে সেখানে গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার সময় নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করেন সলিট খান মুন।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. সেলিম মিঞা জানান, হামলার ঘটনায় থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এর মধ্যে কাশেম নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন