দিনাজপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গুলিতে চা দোকানদার নিহত
jugantor
দিনাজপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গুলিতে চা দোকানদার নিহত

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

২৬ মার্চ ২০২০, ০১:১৫:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের বিরলে রূপালী বাংলা জুট মিলে তিন সপ্তাহের বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ ও ভাংচুর করেছেন শ্রমিকরা।

এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুরত আলী (৪০) নামের এক চা দোকানদার নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও শ্রমিকসহ আহত হয়েছেন ৯ জন।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুরত আলী বিরল উপজেলার হুসনা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও জুট মিলের পাশে একটি চায়ের দোকান চালান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকালে মিল বন্ধের কোনো নোটিশ না পেয়ে চলমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে অফিসের সম্মুখে অবস্থান নেয়া শুরু করেন। সমঝোতা না হওয়ায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আবদুল লতিফ ঘটনাস্থলে এসে শ্রমিকদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

কিন্তু শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে স্থানীয় কিছু লোক তাদের সঙ্গে যোগ দেন এবং বিক্ষোভ ও মিলে ভাংচুর শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ ও পরে টিয়ার শেল এবং রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।

গুলিতে আহত সুরত আলী নামের স্থানীয় এক চায়ের দোকানদারকে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিমুল হক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুরত আলী মারা যান। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছররা গুলি লাগে। এতে তিনি মারা যান। আহতদের মধ্যে দু’জন বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং একজনকে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিরল থানার ওসি শেখ মো. নাসিম হাবিব জানান, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করায় বাধ্য হয়ে প্রথমে লাঠিচার্জ, পরে ৩ রাউন্ড টিয়ার শেল এবং শেষে ১২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। বিক্ষোভকারীদের হামলায় ৩ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন বলে জানান তিনি।

দিনাজপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গুলিতে চা দোকানদার নিহত

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
২৬ মার্চ ২০২০, ০১:১৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের বিরলে রূপালী বাংলা জুট মিলে তিন সপ্তাহের বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ ও ভাংচুর করেছেন শ্রমিকরা। 

এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুরত আলী (৪০) নামের এক চা দোকানদার নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও শ্রমিকসহ আহত হয়েছেন ৯ জন। 

বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত সুরত আলী বিরল উপজেলার হুসনা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও জুট মিলের পাশে একটি চায়ের দোকান চালান। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকালে মিল বন্ধের কোনো নোটিশ না পেয়ে চলমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে অফিসের সম্মুখে অবস্থান নেয়া শুরু করেন। সমঝোতা না হওয়ায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আবদুল লতিফ ঘটনাস্থলে এসে শ্রমিকদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। 

কিন্তু শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে স্থানীয় কিছু লোক তাদের সঙ্গে যোগ দেন এবং বিক্ষোভ ও মিলে ভাংচুর শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ ও পরে টিয়ার শেল এবং রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।

গুলিতে আহত সুরত আলী নামের স্থানীয় এক চায়ের দোকানদারকে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিমুল হক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুরত আলী মারা যান। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছররা গুলি লাগে। এতে তিনি মারা যান। আহতদের মধ্যে দু’জন বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং একজনকে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

বিরল থানার ওসি শেখ মো. নাসিম হাবিব জানান, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করায় বাধ্য হয়ে প্রথমে লাঠিচার্জ, পরে ৩ রাউন্ড টিয়ার শেল এবং শেষে ১২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। বিক্ষোভকারীদের হামলায় ৩ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন