ভোলায় তাবলিগ ও পুলিশ সদস্যদের উপর ছাত্রলীগের হামলা, আটক ৩
jugantor
ভোলায় তাবলিগ ও পুলিশ সদস্যদের উপর ছাত্রলীগের হামলা, আটক ৩

  ভোলা ও মনপুরা প্রতিনিধি  

০৭ এপ্রিল ২০২০, ২২:৩০:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সংঘর্ষ

ভোলার মনপুরায় ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে তাবলিগ জামাত সদস্য ও পুলিশের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য, এলাকায় ফিরে আসা তাবলিগ জামাতের ৩৭ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা সাগরের নেতৃত্বে তাবলিগ জামায়াত নেতা মাহাবুবুর রহমানকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা হয়।

ছাত্রলীগ নেতা সাগরকে আটক করতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় ওই ছাত্রলীগ নেতার স্বজনরা। এ সময় দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হন।

এ ঘটনায় রাতেই সাগরের বাবা মো. নুরুল ইসলাম, ভাই মাকসুদ ও সোহেলকে আটক করে পুলিশ। সাগর পালিয়ে যায়। সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় মামলা করা হয় বলেও জানান ওসি সাখাওয়াত হোসেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢাকার কাকরাইল, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকায় অবস্থান শেষে তাবলিগ জামাতের ৩৭ জন সোমবার মনপুরায় আসেন। এমন খবরে পুলিশ এদের প্রবেশে বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে এরা কৌশলে নিজ নিজ বাড়ি চলে যান।

মঙ্গলবার ইউপি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার দিপক চৌধুরী ও তাবলিগ জামাত নেতা মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে ওই ৩৭ জনকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন হিসেবে মনপুরা ডিগ্রি কলেজের ভবনে নিয়ে আসা হয়।

এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা কলেজছাত্র সাগর তাবলিগ নেতা মাহাবুবুর রহমানের উপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। বিষয়টি জানার পরই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে পুলিশ সাগরকে আটক করতে অভিযানে সাগরের বাড়ি যায়।

এ সময় সাগরের ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে ছুটে যান ওসি সাখাওয়াত হোসেন। তার উপরও চড়াও হন সাগরের বাবা ও ভাইয়েরা।

ইউএনও জানান, সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় পুলিশ সাগরের বাবা ও ভাইসহ ৩ জনকে আটক করা হয়।

ভোলায় তাবলিগ ও পুলিশ সদস্যদের উপর ছাত্রলীগের হামলা, আটক ৩

 ভোলা ও মনপুরা প্রতিনিধি 
০৭ এপ্রিল ২০২০, ১০:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংঘর্ষ
হামলা। প্রতীকী ছবি

ভোলার মনপুরায় ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে তাবলিগ জামাত সদস্য ও পুলিশের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য, এলাকায় ফিরে আসা তাবলিগ জামাতের ৩৭ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা সাগরের নেতৃত্বে তাবলিগ জামায়াত নেতা মাহাবুবুর রহমানকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা হয়। 

ছাত্রলীগ নেতা সাগরকে আটক করতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় ওই ছাত্রলীগ নেতার স্বজনরা। এ সময় দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হন। 

এ ঘটনায় রাতেই সাগরের বাবা মো. নুরুল ইসলাম, ভাই মাকসুদ ও সোহেলকে আটক করে পুলিশ। সাগর পালিয়ে যায়। সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় মামলা করা হয় বলেও জানান ওসি সাখাওয়াত হোসেন। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢাকার কাকরাইল, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকায় অবস্থান শেষে তাবলিগ জামাতের ৩৭ জন সোমবার মনপুরায় আসেন। এমন খবরে পুলিশ এদের প্রবেশে বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে এরা কৌশলে নিজ নিজ বাড়ি চলে যান। 

মঙ্গলবার ইউপি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার দিপক চৌধুরী ও তাবলিগ জামাত নেতা মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে ওই ৩৭ জনকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন হিসেবে মনপুরা ডিগ্রি কলেজের ভবনে নিয়ে আসা হয়। 

এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা কলেজছাত্র সাগর  তাবলিগ নেতা মাহাবুবুর রহমানের উপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। বিষয়টি জানার পরই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে পুলিশ সাগরকে আটক করতে অভিযানে সাগরের বাড়ি যায়। 

এ সময় সাগরের ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে ছুটে যান ওসি সাখাওয়াত হোসেন। তার উপরও চড়াও হন সাগরের বাবা ও ভাইয়েরা। 

ইউএনও জানান, সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় পুলিশ সাগরের বাবা ও ভাইসহ ৩ জনকে আটক করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন