বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
jugantor
বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

০৮ এপ্রিল ২০২০, ২০:১০:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর এলাকায় মাত্র ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল ৬টার দিকে দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভোগার পর মোরেলগঞ্জ পৌরসভার সেরেস্তাদার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা সিপ্রা রানী ভৌমিক (৭৫) মারা যান। এরপর সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী গীতা রঞ্জন ভৌমিকও (৮৩) মারা যান।

ওই দম্পতির ছেলে সুবল ভৌমিক জানান, তার বাবা-মা দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুফতি কামাল হোসেন জানান, সকালে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ওই বৃদ্ধা দম্পতির মৃত্যুর খবর পেয়ে ৫ সদস্যের মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই স্বজনের সঙ্গে কথা বলে। তারা মৃতদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বার্ধক্যজনিত কারণসহ ওই দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে ভোগার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন তারা।

মুফতি কামাল হোসেন মৃতদের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্ভব হওয়ার পর ২৫ মার্চ থেকে ওই পরিবারের কেউ বাসা থেকে বেরও হননি। ফলে তাদের মৃত্যু স্বাভাবিক বলেই জানান এই কর্মকর্তা।

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
০৮ এপ্রিল ২০২০, ০৮:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর এলাকায় মাত্র ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল ৬টার দিকে দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভোগার পর মোরেলগঞ্জ পৌরসভার সেরেস্তাদার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা সিপ্রা রানী ভৌমিক (৭৫) মারা যান। এরপর সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী গীতা রঞ্জন ভৌমিকও (৮৩) মারা যান।

ওই দম্পতির ছেলে সুবল ভৌমিক জানান, তার বাবা-মা দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুফতি কামাল হোসেন জানান, সকালে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ওই বৃদ্ধা দম্পতির মৃত্যুর খবর পেয়ে ৫ সদস্যের মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই স্বজনের সঙ্গে কথা বলে। তারা মৃতদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বার্ধক্যজনিত কারণসহ ওই দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে ভোগার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন তারা।

মুফতি কামাল হোসেন মৃতদের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্ভব হওয়ার পর ২৫ মার্চ থেকে ওই পরিবারের কেউ বাসা থেকে বেরও হননি। ফলে তাদের মৃত্যু স্বাভাবিক বলেই জানান এই কর্মকর্তা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন