ইউপি সদস্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফের চুরির পেশায়
jugantor
ইউপি সদস্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফের চুরির পেশায়

  নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

১৮ এপ্রিল ২০২০, ১৭:৩৬:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সিদ কেটে চুরি

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. শাহীন খান (৪২)।

পরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের নন্দপাড়ায় সিঁদ কেটে চুরি করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

শাহীন সহবতপুর ইউনিয়নের নন্দপাড়ার মৃত ছামু খানের ছেলে। সহবতপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য এবং আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি।

এলাকাবাসী জানায়, এই আওয়ামী লীগ নেতা শাহীন অনেক দিন যাবৎ চুরি করছে। তিনি একজন চিহ্নিত চোর। এর আগে একাধিকবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরাও পড়েছিল। তার বিরুদ্ধে একাধিক চুরির অভিযোগও রয়েছে। এলাকাবাসী তার উৎপাত থেকে রেহাই পেতে ভোট দিয়ে তাকে ইউপি সদস্য নির্বাচিত করে। মেম্বার হওয়ার পর কিছুদিন ভালো চললেও মেয়াদ শেষে আবার তার উপদ্রব বেড়ে গেছে।

শুক্রবার রাতে শাহীন ওই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা হাশেম মিয়ার বাড়িতে চুরি করতে যায়।

হাশেম মিয়ার ছেলে ওসমান গনি বলেন, আমি শুক্রবার দিবাগত রাতে বাড়ির পাশের জমিতে পানি দিয়ে বাড়িতে এসে টর্চের আলো জ্বালাই। তখন দেখি চোর শাহীন আমাকে দেখে দৌড় দিচ্ছে। এ সময় আমার এবং আমার পরিবারের লোকজনের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। তারা শাহীনকে হাতেনাতে ধরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকে পিটিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে পুলিশকে খবর দেয়।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল হোসেন মোল্লা বলেন ঘটনাটা আমি শুনেছি। ঘটনাস্থলে স্থানীয় ইউপি সদস্য তোফাজ্জল হোসেন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, একজনকে পিটিয়ে আহত করার খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউপি সদস্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফের চুরির পেশায়

 নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
১৮ এপ্রিল ২০২০, ০৫:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সিদ কেটে চুরি
সিদ কেটে চুরির চেষ্টা। ছবি: যুগান্তর

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. শাহীন খান (৪২)।

পরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের নন্দপাড়ায় সিঁদ কেটে চুরি করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। 

শাহীন সহবতপুর ইউনিয়নের নন্দপাড়ার মৃত ছামু খানের ছেলে। সহবতপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য এবং  আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি। 

এলাকাবাসী জানায়, এই আওয়ামী লীগ নেতা শাহীন অনেক দিন যাবৎ চুরি করছে। তিনি একজন চিহ্নিত চোর। এর আগে একাধিকবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরাও পড়েছিল। তার বিরুদ্ধে একাধিক চুরির অভিযোগও রয়েছে। এলাকাবাসী তার উৎপাত থেকে রেহাই পেতে ভোট দিয়ে তাকে ইউপি সদস্য নির্বাচিত করে। মেম্বার হওয়ার পর কিছুদিন ভালো চললেও মেয়াদ শেষে আবার তার উপদ্রব বেড়ে গেছে। 

শুক্রবার রাতে শাহীন ওই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা হাশেম মিয়ার বাড়িতে চুরি করতে যায়। 

হাশেম মিয়ার ছেলে ওসমান গনি বলেন, আমি শুক্রবার দিবাগত রাতে বাড়ির পাশের জমিতে পানি দিয়ে বাড়িতে এসে টর্চের আলো জ্বালাই। তখন দেখি চোর শাহীন আমাকে দেখে দৌড় দিচ্ছে। এ সময় আমার এবং আমার পরিবারের লোকজনের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। তারা শাহীনকে হাতেনাতে ধরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকে পিটিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে পুলিশকে খবর দেয়।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল হোসেন মোল্লা বলেন ঘটনাটা আমি শুনেছি। ঘটনাস্থলে স্থানীয় ইউপি সদস্য তোফাজ্জল হোসেন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, একজনকে পিটিয়ে আহত করার খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন