সিরাজদিখানে সালিশে শিক্ষিকাকে ইউপি সদস্যের মারধর!

  সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি ১৯ এপ্রিল ২০২০, ১৫:৩৭:০৫ | অনলাইন সংস্করণ

ফাইল ছবি

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় সালিশে সবার উপস্থিতিতে স্কুলশিক্ষিকা ও তার বাবাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আছিয়াখাতুন এলাকার আবদুল জব্বারের বাড়িতে সালিশে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শিক্ষিকা গত শনিবার রাতে বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ভিকটিম মুন্সীগঞ্জ আছিয়াখাতুন মহিলা মাদ্রাসার আরবি বিভাগের শিক্ষিকা। অভিযুক্ত মো. রফিকুল ইসলাম ইছাপুরা ইউপির ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য।

জানা গেছে, শিয়ালদী মৌজার ৮৬৭/১ খতিয়ানের ৫১৫নং দাগের আয়তনের একটি পুকুরে মাটি কাটার ঘটনা নিয়ে মৃত আরোজ আলী দেওয়ানের ছেলে জাবেদ দেওয়ানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে ধরে

শিক্ষিকার বাবা মো. আজিজুল হক (৬৫) তার নিজের রের্কডীয় পুকুরে মাটি কাটলে বাধা দেন। এ সময় ওই পুকুরের ক্রয়সূত্রে মালিক দাবি করে জাবেদ দেওয়ান সেখানে মাটি কাটতে চাইলে এ নিয়ে শনিবার রাতে বিচার সালিশ ডাকা হয়।

এ সময় বিচার সালিশে মাদ্রাসার আরবি বিভাগের শিক্ষিকা শারমিন আক্তার খাদিজা ও তার বাবা মো. আজিজুল হককে সবার সামনে মারধর করেন বলে শিক্ষিকা অভিযোগ করেন।

আহত শিক্ষিকা শারমিন আক্তার খাদিজা জানান, আমার বাবার পৈতৃক সম্পত্তি শিয়ালদী মৌজার ৮৬৭/১ খতিয়ানের ৫১৫নং দাগের আয়তনের একটি পুকুরে মাটি কাটতে গেলে এতে ক্রয় সূত্রে মালিক দাবি করে এলাকার জাবেদ দেওয়ান। তিনিও পুকুর থেকে মাটি কাটতে চাইলে আমার বাবা বাধা দেন।

এ নিয়ে জাবেদ দেয়ার স্থানীয় ইউপি সদস্যে কাছে বিচার দেন। ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বিচারের সময় আমার বৃদ্ধ বাবাকে লাঠি ও জুতা দিয়ে মারধর করে। এতে বাধা দিলে আমাকেও সবার সামনে জুতা দিয়ে মারধর করেন। আমি রফিকুল মেম্বারের বিচার চাই।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. আবদুল জব্বার বলেন, আজিজুল হককে মেম্বার রফিকুল ইসলাম মারধর করতে থাকে। এ সময় শিক্ষিকা শারমিন আক্তার খাদিজা কেও জুতাপেটা করে ইউপি সদস্য। পরে তিনি থানা কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি অবহিত করেন।

তবে ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিক্ষিকা শারমিন আক্তার খাদিজা আমাকে পেটানোর জন্য হাতে জুতা নিয়েছে, পরে আমি তাকে ধাক্কা দিয়েছি– এটুকুই।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি মো. ফরিদউদ্দিন জানান, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত