কোম্পানীগঞ্জের সেই ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

  সিলেট ব্যুরো ২৬ এপ্রিল ২০২০, ২০:২৮:২০ | অনলাইন সংস্করণ

সজল কুমার কানু। ফাইল ছবি

টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করানোর দায়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সজল কুমার কানুসহ ৪ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রত্যাহার হওয়া অন্যরা হল- কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই রাজীব চৌধুরী, এএসআই মাহফুজ ও সিরাজুল ইসলাম।

রোববার সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন ওসি সজল কুমার কানুকে প্রত্যাহার করেন। এর আগে অপর এক আদেশে এসআই রাজীব, এএসআই মাহফুজ ও সিরাজুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন। ওসিসহ ৪ জনকেই জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ওসি ক্লোজের বিষয়টি শুনেছি। অফিসিয়াল আদেশ পাইনি। এক এসআই ও দুই এএসআইকে আগেই ক্লোজ করা হয়েছে। ৪ জনকেই জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে টাকার বিনিময়ে দেশে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু পাচার নিয়ে ৩১ মার্চ দৈনিক যুগান্তরে ‘কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত : গরু পাচার নিয়ে ওসি-লাইনম্যান কথোপকথন’ শিরোনামে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হয়।

পরদিন দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ প্রশাসন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. মাহবুবুল আলমকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্য হলেন জেলা গোয়েন্দা শাখার এএসপি মো. আনিসুর রহমান। তদন্ত কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন পেশ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে যুগান্তরের কাছে তথ্য আসে কোম্পানীগঞ্জের ওসির সংশ্লিষ্টতায় টাকার বিনিময়ে পরিবেশ ধ্বংস করে গভীর রাত পর্যন্ত অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের। এ নিয়েও ৯ এপ্রিল ‘কোম্পানীগঞ্জে ওসির ইশারায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে দৈনিক যুগান্তর।

দীর্ঘ তদন্তে যুগান্তরের প্রতিবেদনের সত্যতা পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত