নেত্রকোনায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর আত্মহত্যা
jugantor
নেত্রকোনায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর আত্মহত্যা

  দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

৩০ এপ্রিল ২০২০, ২০:৩০:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্গাপুর সদর ইউনিয়নের মাসকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার কিশোরী বিষপান করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সে মারা যায়।

জানা গেছে, একই গ্রামের আব্দুল মিয়ার মেয়ের সঙ্গে আব্দুল জলিলের ছেলে অলি মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে ওলি মিয়া তার বাড়িতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে ছেলের বাবা-মা বিষয়টি জানতে পেরে মেয়েকে তাদের বাড়ি চলে যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে।

পরবর্তীকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য ছোবান মিয়াসহ ছেলের বাবা-মায়ের উপস্থিতিতে মেয়ে তাদের সম্পর্কের কথা জানায়। এই কথা শুনে এই মেয়েকে ওলির বাবা-মা মিলে বেদম প্রহার করে ওই মেম্বারের হাতে তুলে দেয়। মেম্বার ওই মেয়েকে তার বাবার কাছে বুঝিয়ে দেয়।

ইতিমধ্যে ছেলে ওই মেয়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করায় অভিমানে বুধবার সকালে ঘরের দরজা বন্ধ করে বিষপান করে। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি হয়। পরে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সে মারা যায়।

কিশোরীর মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযুক্ত অলি মিয়া ও তার পরিবার গা-ঢাকা দিয়েছে। তাদের মোবাইলে বারবার চেষ্টা করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুর্গাপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নেত্রকোনায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর আত্মহত্যা

 দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
৩০ এপ্রিল ২০২০, ০৮:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্গাপুর সদর ইউনিয়নের মাসকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার কিশোরী বিষপান করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সে মারা যায়।

জানা গেছে, একই গ্রামের আব্দুল মিয়ার মেয়ের সঙ্গে আব্দুল জলিলের ছেলে অলি মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে ওলি মিয়া তার বাড়িতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে ছেলের বাবা-মা বিষয়টি জানতে পেরে মেয়েকে তাদের বাড়ি চলে যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে।

পরবর্তীকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য ছোবান মিয়াসহ ছেলের বাবা-মায়ের উপস্থিতিতে মেয়ে তাদের সম্পর্কের কথা জানায়। এই কথা শুনে এই মেয়েকে ওলির বাবা-মা মিলে বেদম প্রহার করে ওই মেম্বারের হাতে তুলে দেয়। মেম্বার ওই মেয়েকে তার বাবার কাছে বুঝিয়ে দেয়। 

ইতিমধ্যে ছেলে ওই মেয়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করায় অভিমানে বুধবার সকালে ঘরের দরজা বন্ধ করে বিষপান করে। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি হয়। পরে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সে মারা যায়। 

কিশোরীর মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযুক্ত অলি মিয়া ও তার পরিবার গা-ঢাকা দিয়েছে। তাদের মোবাইলে বারবার চেষ্টা করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  

দুর্গাপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন