ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি, ভাঙন শুরু
jugantor
ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি, ভাঙন শুরু

  ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২০, ১৯:০৩:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নদী পাড়ের মানুষ। বিগত ভাঙনে যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল সেটিও ভাঙনের কবলে পড়ায় চরম হতাশায় দিন পার করছে তারা।

ইতিমধ্যে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি, কষ্টাপাড়া ও ভালকুটিয়া এলাকায় যমুনা নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। দেশে করোনাভাইরাসের মধ্যে নদী ভাঙন যেন মরার উপর খঁড়ার ঘাঁ দেখা দিয়েছে নদী পাড়ের মানুষের।

সরেজমিন দেখা গেছে, পানি বাড়তে থাকায় নতুন নতুন ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এ ছাড়া নদীর এক থেকে দেড়শ' মিটারের মধ্যে থাকা বহু ঘর-বাড়ি, স্কুল, মসজিদ, মন্দির, পোল্ট্রি খামার হুমকির মুখে পড়েছে।

যদিও জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, ভাঙন থেকে রক্ষা করতে নদী ড্রেজিং করে বাঁধ নির্মাণ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

জানা গেছে, প্রতি বছর যমুনা নদী ভাঙনের ফলে তার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ক্রমেই পূর্ব দিকে ধাবিত হচ্ছে। আবার বালু খেকোরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে উঠা চর কেটে বিক্রি করছে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

গত বছর ভাঙন রোধে গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি এলাকায় ২০০ মিটার নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। যা ভাঙন রোধে কোনো কাজেই আসেনি।

খানুরবাড়ি গ্রামের জহুরুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে খুব বেশি পরিমাণে পানি না বাড়লেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু ভাঙন রোধে কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়ি নদীতে চলে গেছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের টাঙ্গাইল অংশ ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য প্রকল্প তৈরি করে সেটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।

ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি, ভাঙন শুরু

 ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২০, ০৭:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নদী পাড়ের মানুষ। বিগত ভাঙনে যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল সেটিও ভাঙনের কবলে পড়ায় চরম হতাশায় দিন পার করছে তারা।

ইতিমধ্যে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি, কষ্টাপাড়া ও ভালকুটিয়া এলাকায় যমুনা নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। দেশে করোনাভাইরাসের মধ্যে নদী ভাঙন যেন মরার উপর খঁড়ার ঘাঁ দেখা দিয়েছে নদী পাড়ের মানুষের। 

সরেজমিন দেখা গেছে, পানি বাড়তে থাকায় নতুন নতুন ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এ ছাড়া নদীর এক থেকে দেড়শ' মিটারের মধ্যে থাকা বহু ঘর-বাড়ি, স্কুল, মসজিদ, মন্দির, পোল্ট্রি খামার হুমকির মুখে পড়েছে।

যদিও জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, ভাঙন থেকে রক্ষা করতে নদী ড্রেজিং করে বাঁধ নির্মাণ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

জানা গেছে, প্রতি বছর যমুনা নদী ভাঙনের ফলে তার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ক্রমেই পূর্ব দিকে ধাবিত হচ্ছে। আবার বালু খেকোরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে উঠা চর কেটে বিক্রি করছে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

গত বছর ভাঙন রোধে গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি এলাকায় ২০০ মিটার  নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। যা ভাঙন রোধে কোনো কাজেই আসেনি।

খানুরবাড়ি গ্রামের জহুরুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে খুব বেশি পরিমাণে পানি না বাড়লেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু ভাঙন রোধে কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়ি নদীতে চলে গেছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের টাঙ্গাইল অংশ ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য প্রকল্প তৈরি করে সেটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন