শেরপুরে অসহায় নারীর ধান কেটে দিল পুলিশ
jugantor
শেরপুরে অসহায় নারীর ধান কেটে দিল পুলিশ

  শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২০, ২১:০৭:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় ফুলমালা বেগম নামে এক অসহায় নারীর ধান কেটে দিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।

মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেনের উপস্থিতিতে তার ধান কেটে মাড়াই করে দেয় শ্রীবরদী থানা পুলিশ।

জানা গেছে, ফুলমালা বেগম কুড়িকাহনিয়া ইউনিয়নের ইন্দলপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের স্ত্রী। আজিজুল হক ঢাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। বোরো ধান পেকে গেলেও লকডাউন থাকায় তিনি বাড়ি আসতে পারেননি। ওই ধান ক্ষেতের তদারকি করতেন কৃষক আজিজুল হকের স্ত্রী ফুলমালা বেগম।

শ্রমিক না পেয়ে ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন ফুলমালা বেগম। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদারের সহযোগিতায় শ্রীবরদী থানা পুলিশ, কুড়িকাহনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান, কমিউনিটি পুলিশং ফোরামের সদস্যরা ওই অসহায় কৃষকের ১ একর জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন।

অসহায় কৃষক আজিজুল হকের স্ত্রী ফুলমালা বেগম বলেন, ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে খুব বিপদে ছিলাম। শ্রীবরদী থানা পুলিশ খবর পেয়ে আমার ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে। তাদের জন্য দোয়া রইল।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেন বলেন, দেশের পুলিশ সব সময় অসহায় প্রান্তিক কৃষক ও মানুষদের সহযোগিতা করবে। তাই কেউ যদি শ্রমিক সংকটে ধান কাটতে না পারে, সে ক্ষেত্রে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা ধানকেটে দেয়ার চেষ্টা করব। আগামীতেও আমাদের এ ধানকাটা উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

শেরপুরে অসহায় নারীর ধান কেটে দিল পুলিশ

 শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২০, ০৯:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় ফুলমালা বেগম নামে এক অসহায় নারীর ধান কেটে দিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। 

মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেনের উপস্থিতিতে তার ধান কেটে মাড়াই করে দেয় শ্রীবরদী থানা পুলিশ।

জানা গেছে, ফুলমালা বেগম কুড়িকাহনিয়া ইউনিয়নের ইন্দলপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের স্ত্রী। আজিজুল হক ঢাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। বোরো ধান পেকে গেলেও লকডাউন থাকায় তিনি বাড়ি আসতে পারেননি। ওই ধান ক্ষেতের তদারকি করতেন কৃষক আজিজুল হকের স্ত্রী ফুলমালা বেগম। 

শ্রমিক না পেয়ে ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন ফুলমালা বেগম। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদারের সহযোগিতায় শ্রীবরদী থানা পুলিশ, কুড়িকাহনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান, কমিউনিটি পুলিশং ফোরামের সদস্যরা ওই অসহায় কৃষকের ১ একর জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন।

অসহায় কৃষক আজিজুল হকের স্ত্রী ফুলমালা বেগম বলেন, ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে খুব বিপদে ছিলাম। শ্রীবরদী থানা পুলিশ খবর পেয়ে আমার ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে। তাদের জন্য দোয়া রইল।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেন বলেন, দেশের পুলিশ সব সময় অসহায় প্রান্তিক কৃষক ও মানুষদের সহযোগিতা করবে। তাই কেউ যদি শ্রমিক সংকটে ধান কাটতে না পারে, সে ক্ষেত্রে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা ধানকেটে দেয়ার চেষ্টা করব। আগামীতেও আমাদের এ ধানকাটা উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন