মোবাইল আনতে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রের লাশ মিলল লৌহজং নদীতে
jugantor
মোবাইল আনতে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রের লাশ মিলল লৌহজং নদীতে

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২০, ২২:২৬:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

আবদুল্লাহ আল মামুন আশিক

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ছয়দিন পর আবদুল্লাহ আল মামুন আশিক (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে ওই ছাত্রের বাড়ির কাছেই লৌহজং নদে তার লাশ ভেসে উঠে।

আশিক শহরের কাগমারা এলাকার বাসিন্দা ও পুলিশে কর্মরত রাশেদুল ইসলামের ছেলে। তিনি মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

ওই ছাত্রের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে একই এলাকায় তার প্রেমিকার বাসায় মোবাইল ফোন আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন। এ ব্যাপারে আশিকের মা টাঙ্গাইল সদর থানায় জিডি করেন।

মঙ্গলবার বিকালে লৌহজং নদে তার লাশ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশ উদ্ধার করেন। লাশের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তারা ওই মেয়েটির বাড়িতে হামলা চালায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আশিকের বাবা রাশেদুল ইসলাম পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত। তিনি জানান, কয়েক মাস আগে থেকে প্রতিবেশী এক মেয়ের সঙ্গে তার ছেলে আশিকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। আশিক ওই মেয়েকে একটি মোবাইল ফোন সেট উপহার দেয়। মেয়ের বড় ভাই বিষয়টি জানার পর আশিককে মোবাইল ফোন ফেরত নিতে তাদের বাসায় ডাকেন। তারপর থেকে আশিক নিখোঁজ ছিল।

ওই এলাকার বাসিন্দা পারভীন বেগম জানান, ওই দিন রাতে ওই মেয়ের বাসার দিকে আশিককে যেতে দেখেছেন। তার পরে কি হয়েছে সেটি আর তিনি বলতে পারেননি।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, লাশ উদ্ধারের পর ওই মেয়েটিকে এবং তার বাবা-মা ও কয়েকজন স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে।

মোবাইল আনতে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রের লাশ মিলল লৌহজং নদীতে

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২০, ১০:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আবদুল্লাহ আল মামুন আশিক
আবদুল্লাহ আল মামুন আশিক

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ছয়দিন পর আবদুল্লাহ আল মামুন আশিক (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে ওই ছাত্রের বাড়ির কাছেই লৌহজং নদে তার লাশ ভেসে উঠে।

আশিক শহরের কাগমারা এলাকার বাসিন্দা ও পুলিশে কর্মরত রাশেদুল ইসলামের ছেলে। তিনি মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

ওই ছাত্রের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে একই এলাকায় তার প্রেমিকার বাসায় মোবাইল ফোন আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন। এ ব্যাপারে আশিকের মা টাঙ্গাইল সদর থানায় জিডি করেন।

মঙ্গলবার বিকালে লৌহজং নদে তার লাশ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশ উদ্ধার করেন। লাশের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তারা ওই মেয়েটির বাড়িতে হামলা চালায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আশিকের বাবা রাশেদুল ইসলাম পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত। তিনি জানান, কয়েক মাস আগে থেকে প্রতিবেশী এক মেয়ের সঙ্গে তার ছেলে আশিকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। আশিক ওই মেয়েকে একটি মোবাইল ফোন সেট উপহার দেয়। মেয়ের বড় ভাই বিষয়টি জানার পর আশিককে মোবাইল ফোন ফেরত নিতে তাদের বাসায় ডাকেন। তারপর থেকে আশিক নিখোঁজ ছিল।

ওই এলাকার বাসিন্দা পারভীন বেগম জানান, ওই দিন রাতে ওই মেয়ের বাসার দিকে আশিককে যেতে দেখেছেন। তার পরে কি হয়েছে সেটি আর তিনি বলতে পারেননি।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, লাশ উদ্ধারের পর ওই মেয়েটিকে এবং তার বাবা-মা ও কয়েকজন স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন