শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখে সুলতান
jugantor
শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখে সুলতান

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

০৬ মে ২০২০, ১৯:০৪:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার বারহাট্টায় শিশু শিক্ষার্থী মণি আক্তারকে (১২) ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলের গর্তে লাশ ফেলে রাখে সুলতান নামের এক যুবক। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় গ্রেফতার সুলতান দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী সাংবাদিকদের জানান।

গ্রেফতারকৃত সুলতান উদ্দিন (২৫) উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আবদুর রাশিদের ছেলে।

নিহত মণি আক্তার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের আবদুল মন্নাফের মেয়ে। সে একই গ্রামের পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। শনিবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, মণি আক্তার ও তার কয়েকজন সহপাঠী মিলে প্রতিদিনের মতো পাশের নয়াপাড়া গ্রামের তালেব আলীর কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে মণি বাড়ি থেকে বের হয়। পরে পৌনে ১১টায় ওই শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে লেখাপড়া শেষে সেখান থেকে প্রায় সাড়ে ১২টায় চলে আসে।

মণি বাড়িতে আসতে দেরি হওয়ায় দুপুরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে রাতে স্থানীয় ফকিরের বাজারে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িতে সংবাদ দেয়া হয়। নিখোঁজ হয়েছে মর্মে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টায় স্থানীয়রা একই গ্রামের মান্দারতলা এলাকায় একটি বাড়ির পেছনের জঙ্গলের গর্তে মণির হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) এসএম আশরাফুল আলম জানান, ঘটনার পর চারদিন ধরে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার দিবাগত রাতে দশধার গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পাশ থেকে সুলতানকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুলতান জানায়, বৃহস্পতিবার মণি প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে তাকে ডেকে সুলতানের ঘরে নিয়ে যায়। এবং সেখানে ওই শিশুকে ধর্ষণ করা সময় চিৎকার করলে গলা টিপে ধরায় সে মারা যায়। এরপর নিহত মণিকে কাপড় দিয়ে ডেকে রেখে দেয়। ওইদিন সন্ধ্যার পর শিশুটিকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ফেলে রেখে সে শ্বশুরবাড়ি দশধার চলে যায়।

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখে সুলতান

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
০৬ মে ২০২০, ০৭:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার বারহাট্টায় শিশু শিক্ষার্থী মণি আক্তারকে (১২) ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলের গর্তে লাশ ফেলে রাখে সুলতান নামের এক যুবক। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় গ্রেফতার সুলতান দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী সাংবাদিকদের জানান।

গ্রেফতারকৃত সুলতান উদ্দিন (২৫) উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আবদুর রাশিদের ছেলে।

নিহত মণি আক্তার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের আবদুল মন্নাফের মেয়ে। সে একই গ্রামের পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। শনিবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, মণি আক্তার ও তার কয়েকজন সহপাঠী মিলে প্রতিদিনের মতো পাশের নয়াপাড়া গ্রামের তালেব আলীর কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে মণি বাড়ি থেকে বের হয়। পরে পৌনে ১১টায় ওই শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে লেখাপড়া শেষে সেখান থেকে প্রায় সাড়ে ১২টায় চলে আসে।

মণি বাড়িতে আসতে দেরি হওয়ায় দুপুরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে রাতে স্থানীয় ফকিরের বাজারে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িতে সংবাদ দেয়া হয়। নিখোঁজ হয়েছে মর্মে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টায় স্থানীয়রা একই গ্রামের মান্দারতলা এলাকায় একটি বাড়ির পেছনের জঙ্গলের গর্তে মণির হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) এসএম আশরাফুল আলম জানান, ঘটনার পর চারদিন ধরে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার দিবাগত রাতে দশধার গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পাশ থেকে সুলতানকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুলতান জানায়, বৃহস্পতিবার মণি প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে তাকে ডেকে সুলতানের ঘরে নিয়ে যায়। এবং সেখানে ওই শিশুকে ধর্ষণ করা সময় চিৎকার করলে গলা টিপে ধরায় সে মারা যায়। এরপর নিহত মণিকে কাপড় দিয়ে ডেকে রেখে দেয়। ওইদিন সন্ধ্যার পর শিশুটিকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ফেলে রেখে সে শ্বশুরবাড়ি দশধার চলে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন