নান্দাইলে সালিশে মাথায় আঘাত, হাসপাতালে নারীর মৃত্যু
jugantor
নান্দাইলে সালিশে মাথায় আঘাত, হাসপাতালে নারীর মৃত্যু

  নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১২ মে ২০২০, ২০:১৯:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

দাদি-নাতির বিবাদ মিটাতে সালিশে বসেন মাতব্বররা। একপর্যায়ে দাদির পক্ষ নেয়া এক সালিশকারীর হামলায় আহত মঞ্জিলা খাতুন (৪৫) নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার নিহত নারীর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ওই নারীর বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের উদং খালপাড় গ্রামে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের দ্বিতীয় স্ত্রী সোলেমা খাতুনের (৫৫) সঙ্গে গত রোববার বিকালে বাড়ির উঠানে একটি কাপড়ের পর্দা টাঙানো নিয়ে বিরোধ বাধে নাতি আলমগীরের। এ নিয়ে আলমগীর দাদিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়।

এ অবস্থায় দাদি এলাকার মেম্বারসহ স্থানীয় মাতব্বরদের ঘটনা জানিয়ে বিচার চান। ইফতারের কিছু আগে এ ঘটনা নিয়ে উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে সালিশ বসে। এ সময় দাদির সঙ্গে অন্যায় আচরণের জন্য সালিশকারীরা আলমগীরকে ভর্ৎসনা করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।

একপর্যায়ে আলমগীর ফের উত্তেজিত হলে সালিশকারী মো. গিয়াস উদ্দিন উত্তেজিত হয়ে আলমগীরকে মারতে উদ্যত হলে আলমগীরের মা মঞ্জিলা খাতুন এগিয়ে গিয়ে সালিশকারী গিয়াস উদ্দিনকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন।

এ সময় গিয়াস উদ্দিনের হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে মঞ্জিলার মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মঞ্জিলাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নান্দাইল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।

নান্দাইলে সালিশে মাথায় আঘাত, হাসপাতালে নারীর মৃত্যু

 নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১২ মে ২০২০, ০৮:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দাদি-নাতির বিবাদ মিটাতে সালিশে বসেন মাতব্বররা। একপর্যায়ে দাদির পক্ষ নেয়া এক সালিশকারীর হামলায় আহত মঞ্জিলা খাতুন (৪৫) নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার নিহত নারীর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ওই নারীর বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের উদং খালপাড় গ্রামে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের দ্বিতীয় স্ত্রী সোলেমা খাতুনের (৫৫) সঙ্গে গত রোববার বিকালে বাড়ির উঠানে একটি কাপড়ের পর্দা টাঙানো নিয়ে বিরোধ বাধে নাতি আলমগীরের। এ নিয়ে আলমগীর দাদিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়।

এ অবস্থায় দাদি এলাকার মেম্বারসহ স্থানীয় মাতব্বরদের ঘটনা জানিয়ে বিচার চান। ইফতারের কিছু আগে এ ঘটনা নিয়ে উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে সালিশ বসে। এ সময় দাদির সঙ্গে অন্যায় আচরণের জন্য সালিশকারীরা আলমগীরকে ভর্ৎসনা করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।

একপর্যায়ে আলমগীর ফের উত্তেজিত হলে সালিশকারী মো. গিয়াস উদ্দিন উত্তেজিত হয়ে আলমগীরকে মারতে উদ্যত হলে আলমগীরের মা মঞ্জিলা খাতুন এগিয়ে গিয়ে সালিশকারী গিয়াস উদ্দিনকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন।

এ সময় গিয়াস উদ্দিনের হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে মঞ্জিলার মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মঞ্জিলাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নান্দাইল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।