টেঁটাবিদ্ধ করে মেয়েকে হত্যায় আ'লীগ নেতার বিচার চাইলেন মা
jugantor
টেঁটাবিদ্ধ করে মেয়েকে হত্যায় আ'লীগ নেতার বিচার চাইলেন মা

  নরসিংদী প্রতিনিধি  

১৫ মে ২০২০, ১৫:৪৪:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

সংবাদ সম্মেলনে নিহত সোনিয়ার মা
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সোনিয়ার মা। (ইনসেটে নিহত শিশু সোনিয়া ও আসামি বাবুল)

নরসিংদীর রায়পুরায় ৮ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী সোনিয়া হত্যার বিচার দাবিতে ভেলানগরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার মা ও পরিবার।

বৃহস্পতিবার এ সংবাদ সম্মেলনে আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিচার চাইলেন তারা।

নিহত স্কুলছাত্রী সোনিয়া আক্তারের মা জ্যোৎস্না বলেন, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে চাঁনপুর ইউনিয়নের আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া আমাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তারা দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়।

ওই সময় বাবুল মিয়া আমার স্বামীকে মারধর করতে থাকলে বাবাকে বাঁচাতে মেয়ে সোনিয়া এগিয়ে যায়। এ সময় ঘাতক বাবুল মিয়া ও তার সন্ত্রাসী দল আমার কোমলমতি মেয়েকে টেঁটা বিধিয়ে হত্যা করে। আমি এর বিচার চাই।

সংবাদ সম্মলনে অভিযোগ করে জ্যোৎস্না আরও বলেন, হত্যা মামলা প্রত্যাহার না করলে জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এদিকে পৃথক একটি মামলায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ।

চাঁনপুর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. শুক্কুর আলী বলেন, গ্রেফতার বাবুল মিয়া পুরো গ্রামের মানুষের ওপর অত্যাচার করে আসছেন। এর আগে তিনি মুক্তিযোদ্ধা অফিস, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করেছেন। কিন্তু তার কোনো বিচার হয়নি। তার ওপর দুটি হত্যাকাণ্ডের মামলাও চলছে। আমরা তার ফাঁসি চাই।

উল্লেখ্য, নিহত সোনিয়া আক্তার (১৩) রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের জালাল মিয়ার মেয়ে ও সদাকরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে জেলার রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়ন আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির মিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে বাবুল সমর্থকরা টেঁটা-বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজনের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। ঘর বাঁচাতে জালাল মিয়া নামে এক গ্রামবাসীকে মারধর করতে থাকলে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সোনিয়া আক্তার এগিয়ে আসে। এ সময় প্রতিপক্ষরা সোনিয়াকে টেঁটাবিদ্ধ করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যায় সোনিয়া।

এ ঘটনায় বাবুল মিয়াকে প্রধান আসামি করে রায়পুরা থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

 

টেঁটাবিদ্ধ করে মেয়েকে হত্যায় আ'লীগ নেতার বিচার চাইলেন মা

 নরসিংদী প্রতিনিধি 
১৫ মে ২০২০, ০৩:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সোনিয়ার মা
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সোনিয়ার মা। (ইনসেটে নিহত শিশু সোনিয়া ও আসামি বাবুল)

নরসিংদীর রায়পুরায় ৮ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী সোনিয়া হত্যার বিচার দাবিতে ভেলানগরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার মা ও পরিবার।

বৃহস্পতিবার এ সংবাদ সম্মেলনে আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিচার চাইলেন তারা।

নিহত স্কুলছাত্রী সোনিয়া আক্তারের মা জ্যোৎস্না বলেন, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে চাঁনপুর ইউনিয়নের আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া আমাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তারা দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়।

ওই সময় বাবুল মিয়া আমার স্বামীকে মারধর করতে থাকলে বাবাকে বাঁচাতে মেয়ে সোনিয়া এগিয়ে যায়। এ সময় ঘাতক বাবুল মিয়া ও তার সন্ত্রাসী দল আমার কোমলমতি মেয়েকে টেঁটা বিধিয়ে হত্যা করে। আমি এর বিচার চাই।

সংবাদ সম্মলনে অভিযোগ করে জ্যোৎস্না আরও বলেন, হত্যা মামলা প্রত্যাহার না করলে জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এদিকে পৃথক একটি মামলায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ।

চাঁনপুর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. শুক্কুর আলী বলেন, গ্রেফতার বাবুল মিয়া পুরো গ্রামের মানুষের ওপর অত্যাচার করে আসছেন। এর আগে তিনি মুক্তিযোদ্ধা অফিস, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করেছেন। কিন্তু তার কোনো বিচার হয়নি। তার ওপর দুটি হত্যাকাণ্ডের মামলাও চলছে। আমরা তার ফাঁসি চাই।

উল্লেখ্য, নিহত সোনিয়া আক্তার (১৩) রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের জালাল মিয়ার মেয়ে ও সদাকরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে জেলার রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়ন আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির মিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে বাবুল সমর্থকরা টেঁটা-বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজনের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। ঘর বাঁচাতে জালাল মিয়া নামে এক গ্রামবাসীকে মারধর করতে থাকলে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সোনিয়া আক্তার এগিয়ে আসে। এ সময় প্রতিপক্ষরা সোনিয়াকে টেঁটাবিদ্ধ করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যায় সোনিয়া।

এ ঘটনায় বাবুল মিয়াকে প্রধান আসামি করে রায়পুরা থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন