শক্তি সঞ্চয় করে ধেয়ে আসছে আম্পান, প্রস্তুত ৯৭৭টি আশ্রয়কেন্দ্র
jugantor
শক্তি সঞ্চয় করে ধেয়ে আসছে আম্পান, প্রস্তুত ৯৭৭টি আশ্রয়কেন্দ্র

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

১৯ মে ২০২০, ১৯:২০:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে ক্ষয়ক্ষতি যাতে কম হয় সে জন্য বাগেরহাটে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলায় মোট ৯৭৭টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এর প্রস্তুতি উপলক্ষে মঙ্গলবার বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, এবার করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাওয়ায় জেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আগের মতো লোক গাদাগাদি করে রাখা যাবে না। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে রাখতে হবে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাকা ভবনগুলো আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। জেলায় মোট ৯৭৭টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, ইতিমধ্যে সরকার এ জেলার জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৩ লাখ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলায় রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউটস, সিপিপির মোট ১১ হাজার ৭০৮ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৫টি মেডিকেল টিম।

এ দিকে জেলার সব উপজেলায় সকাল থেকে মাইকিং করে জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে বলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ মোংলা, শরণখোলা, রামপাল ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার জনসাধারণ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে। মোংলা বন্দরে অবস্থানরত ১১টি জাহাজকে বন্দরের মূল চ্যানেল থেকে সরিয়ে নিরাপদে রাখা হয়েছে।

শক্তি সঞ্চয় করে ধেয়ে আসছে আম্পান, প্রস্তুত ৯৭৭টি আশ্রয়কেন্দ্র

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
১৯ মে ২০২০, ০৭:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে ক্ষয়ক্ষতি যাতে কম হয় সে জন্য বাগেরহাটে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলায় মোট ৯৭৭টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এর প্রস্তুতি উপলক্ষে মঙ্গলবার বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, এবার করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাওয়ায় জেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আগের মতো লোক গাদাগাদি করে রাখা যাবে না। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে রাখতে হবে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাকা ভবনগুলো আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। জেলায় মোট ৯৭৭টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, ইতিমধ্যে সরকার এ জেলার জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৩ লাখ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলায় রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউটস, সিপিপির মোট ১১ হাজার ৭০৮ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৫টি মেডিকেল টিম।

এ দিকে জেলার সব উপজেলায় সকাল থেকে মাইকিং করে জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে বলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ মোংলা, শরণখোলা, রামপাল ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার জনসাধারণ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে। মোংলা বন্দরে অবস্থানরত ১১টি জাহাজকে বন্দরের মূল চ্যানেল থেকে সরিয়ে নিরাপদে রাখা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন