ভোলার চরাঞ্চলের ৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হচ্ছে
jugantor
ভোলার চরাঞ্চলের ৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হচ্ছে

  যুগান্তর রিপোর্ট, ভোলা  

১৯ মে ২০২০, ২৩:২৪:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘূর্নিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতির অংশ হিসাবে ভোলার ২১টি চরের তিন লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু হয়।

জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর হতে ৫০টি ট্রলার যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে মূল ভূখণ্ড চরফ্যাশনের আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে। একইসঙ্গে সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নেয়া মানুষের সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ৪০০টিসহ সর্বমোট ১১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে।

ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘূর্নিঝড়ে সাবাইকে সতর্ক করার পাশাপাশি নিরাপদে আসতে সিপিপি ১০ হাজার ২০০ সেচ্চাসেবী উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষদের জন্য ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা ছাড়াও শুকনো খাবার ও শিশু খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের মানুষকে মূল ভূখণ্ডে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

ভোলার চরাঞ্চলের ৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হচ্ছে

 যুগান্তর রিপোর্ট, ভোলা 
১৯ মে ২০২০, ১১:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘূর্নিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতির অংশ হিসাবে ভোলার ২১টি চরের তিন লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু হয়।

জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর হতে ৫০টি ট্রলার যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে মূল ভূখণ্ড চরফ্যাশনের আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে। একইসঙ্গে সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নেয়া মানুষের সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ৪০০টিসহ সর্বমোট ১১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে।

ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘূর্নিঝড়ে সাবাইকে সতর্ক করার পাশাপাশি নিরাপদে আসতে সিপিপি ১০ হাজার ২০০ সেচ্চাসেবী উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষদের জন্য ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা ছাড়াও শুকনো খাবার ও শিশু খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের মানুষকে মূল ভূখণ্ডে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন