আম্পান: আতংকে উপকূলের ১০ লাখ মানুষ

  পটুয়াখালী (দ.) ও রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি ২০ মে ২০২০, ১৭:৫৬:৩১ | অনলাইন সংস্করণ

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে বুধবার সকাল থেকে জেলায় থেমে থেমে বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাস শুরু হয়েছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। পায়রা সমুদ্রবন্দর এলাকায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।

বর্তমানে এটি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ৩শ' কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। তবে ক্রমশই এটি উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার সন্ধ্যায় উপকূলে আঘাতহানার সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোপরি আম্পান আতংকে দিন কাটছে উপকূলের লাখো মানুষের।

সকাল থেকে পটুয়াখালীর নদ-নদীগুলোতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নিন্মাঞ্চলের অরক্ষিত বাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। অতিরিক্ত পানি উঠায় রাঙ্গাবালী উপজেলার ৫টি গ্রাম প্লাবিতসহ চরাঞ্চলের একাধিক ফসলি জমি তলিয়ে যেতে শুরু করেছে।

এ দিকে আবহাওয়ার পরিবর্তনে উপকূলীয় এলাকার কিছু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে। কিছু অসচেতন মানুষকে উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশের সমন্বয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে।

তবে চরাঞ্চলে জোয়ারে পানি ঢুকে যাওয়ায় আতংকের পাশাপাশি চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছে উপকূলের লাখো মানুষ। বিশেষ করে নিম্ন এলাকাগুলোর মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এ দিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ৭শ' আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী।

পটুয়াখালী সিভিল সার্জন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলায় সাড়ে ৩০০ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত