আম্পান: বাগেরহাটে জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাচ্ছে রিংবাঁধ
jugantor
আম্পান: বাগেরহাটে জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাচ্ছে রিংবাঁধ

  শরণখোলা প্রতিনিধি  

২০ মে ২০২০, ১৭:৫৯:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে সৃষ্ট বলেশ্বর নদীর জোয়ারের পানির চাপে গাবতলা এলাকায় নতুনভাবে নির্মিত রিংবাঁধ ও রায়েন্দা সদরের নির্মিত বেড়িবাঁধ উপচে পানি ঢুকছে।

এর পরপরই স্কেভেটর মেশিন দিয়ে বাঁধ উঁচুকরণ কাজ শুরু করা হয়েছে। এ দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন তেরাবেকা এলাকায় রিংবাঁধ ভেঙে ফসলী জমিতে পানি প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে।

বুধবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, সিপিপি ও রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা আবহাওয়ার সতর্কবার্তা প্রচারের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে সহযোগিতা করছে।

গাবতলা এলাকার সিপিপির স্বেচ্ছাসেবক মাহামুদুল শোভন জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জোয়ারের পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এ সময় গাবতলা এলাকার রিংবাঁধ উপচে কিছু পানি প্রবেশ করেছে। রাতের জোয়ারে পানি আরও বৃদ্ধ পেলে রিংবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

উপজেলা সদরের সিপিপি কর্মী অহিদুজ্জামান ডালিম জানান, বলেশ্বর তীরের লঞ্চঘাটের নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করার উপক্রম হয়েছিল। ভাটি হওয়ায় রক্ষা পেয়েছে সদরের প্রায় দশ হাজার মানুষ। খবর পেয়ে ইউএনও এসে স্কেভেটের লাগিয়ে বাঁধ উঁচু করার কাজ শুরু করেছেন।

তেরাবেকা এলাকার স্বেচ্ছাবেক জহিরুল ইসলাম বাবু জানান, সেখানের একটি রিংবাঁধ ভেঙ্গে ফসলী মাঠে পানি প্রবেশ করে কিছু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে একটি ও চার ইউনিয়নে চারটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। উপজেলার মোট ১৩০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২২ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে।

তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস, সিপিপি, রেডক্রিসেন্ট, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সমন্বয়ে ১ হাজার স্বেচ্ছাসেবক এবং ১৪টি প্রাথমিক চিকিৎসক দল প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিতদের প্রাথমিক খাদ্য সহায়তার জন্য ২ মেট্রিক টন শুকনা খাবার মজুদ রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবার পানি ও করোনা স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আম্পান: বাগেরহাটে জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাচ্ছে রিংবাঁধ

 শরণখোলা প্রতিনিধি 
২০ মে ২০২০, ০৫:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে সৃষ্ট বলেশ্বর নদীর জোয়ারের পানির চাপে গাবতলা এলাকায় নতুনভাবে নির্মিত রিংবাঁধ ও রায়েন্দা সদরের নির্মিত বেড়িবাঁধ উপচে পানি ঢুকছে। 

এর পরপরই স্কেভেটর মেশিন দিয়ে বাঁধ উঁচুকরণ কাজ শুরু করা হয়েছে। এ দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন তেরাবেকা এলাকায় রিংবাঁধ ভেঙে ফসলী জমিতে পানি প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। 

বুধবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, সিপিপি ও রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা আবহাওয়ার সতর্কবার্তা প্রচারের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে সহযোগিতা করছে।

গাবতলা এলাকার সিপিপির স্বেচ্ছাসেবক মাহামুদুল শোভন জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জোয়ারের পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এ সময় গাবতলা এলাকার রিংবাঁধ উপচে কিছু পানি প্রবেশ করেছে। রাতের জোয়ারে পানি আরও বৃদ্ধ পেলে রিংবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। 

উপজেলা সদরের সিপিপি কর্মী অহিদুজ্জামান ডালিম জানান, বলেশ্বর তীরের লঞ্চঘাটের নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করার উপক্রম হয়েছিল। ভাটি হওয়ায় রক্ষা পেয়েছে সদরের প্রায় দশ হাজার মানুষ। খবর পেয়ে ইউএনও এসে স্কেভেটের লাগিয়ে বাঁধ উঁচু করার কাজ শুরু করেছেন। 

তেরাবেকা এলাকার স্বেচ্ছাবেক জহিরুল ইসলাম বাবু জানান, সেখানের একটি রিংবাঁধ ভেঙ্গে ফসলী মাঠে পানি প্রবেশ করে কিছু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।   

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে একটি ও চার ইউনিয়নে চারটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। উপজেলার মোট ১৩০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২২ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। 

তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস, সিপিপি, রেডক্রিসেন্ট, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সমন্বয়ে ১ হাজার স্বেচ্ছাসেবক এবং ১৪টি প্রাথমিক চিকিৎসক দল প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিতদের প্রাথমিক খাদ্য সহায়তার জন্য ২ মেট্রিক টন শুকনা খাবার মজুদ রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবার পানি ও করোনা স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।     

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন